নেত্রকোণায় শহীদ দিবসে এ আর এফবি’র মুক্ত আলোচনা

সামছুদ্দোহা ফরিদ সামছুদ্দোহা ফরিদ

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১:৩৯ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১

২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আব্দুর রহমান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (এআরএফবি) ও নেত্রকোণা গ্রন্থাগার সমিতির আয়োজনে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস মূল্যায়নে নতুন প্রজন্মের সাথে প্রবীণদের এক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। (২১শে ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে আব্দুর রহমান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (এআরএফবি) এর প্রধান কার্যালয়ে নবীণ প্রবীণদের তাৎপর্যপূর্ণ এ আলোচনা সভা সম্পন্ন হয়।

এআরএফবির চেয়ারম্যান জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক দিলওয়ার খানের সভাপতিত্বে ও নেত্রকোণা জার্নাল সম্পাদক মুহা. জহিরুল ইসলাম অসীম এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, এআরএফবির উপদেষ্টা ও সাপ্তাহিক কৃষকের বাণী পত্রিকার সম্পাদক মোঃ আলী আমজাদ মাস্টার, নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এডভোকেট আঃ হান্নান রঞ্জন, ৯নং চল্লিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আঃ জব্বার ফকির, বিশিষ্ট কবি এমদাদ খান, প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক ও দৈনিক জননেত্র পত্রিকার সম্পাদক এম. মুখলেসুর রহমান খান, বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেত্রকোণা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার জহির লিটন, সাবেক ভিপি নয়ন দত্ত, টেলিভিশন ফোরামের সাবেক সহ-সভাপতি ও এনটিভির নেত্রকোণা প্রতিনিধি ভজন দাস, কবি খোরশেদ আলী তালুকদার, জেলা গ্রন্থাগার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুর রহমান, আহবায়ক সদস্য হাফিজুর রহমান খান পাঠান লেনিন, মোঃ সালাম, সাংবাদিক ও শিক্ষক শামীম তালুকদার, সামছুদ্দোহা ফরিদ, মাওঃ এমদাদুল হক, নেত্রকোণা জার্নাল পাঠক ফোরামের সভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম পাপনসহ এ আর এফ বির কর্মকর্তা বৃন্দ।

এসময় বক্তারা মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেন। নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষা আন্দোলনের লড়াই সংগ্রামের ত্যাগ তিতিক্ষার কথা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্রহণ করে ছাত্র, কৃষক, ইমাম, সাংবাদিক, এডভোকেট, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক ব্যক্তি, সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তাসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।

এআরএফবি’র উপদেষ্টা আলী আমজাদ মাস্টার বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য যে কত তা এই অল্প কথায় বলে শেষ করা যাবেনা। যাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা ভাষা পেয়েছি তাদের এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না। এসময় শহীদদের স্মরণে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে। পরে ‘৪৭ থেকে ‘৫২ পর্যন্ত সময়কালে ভাষা আন্দোলনের শহীদ ও জীবীত বীরসেনানীদের আত্মার উত্তম মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়।