কক্সবাজার থেকেই জাহাজে সেন্টমার্টিন, খুশি পর্যটকরা নিউজ ৭১ অনলাইন নিউজ ৭১ অনলাইন প্রকাশিত: 4:47 PM , January 13, 2021 এখন কক্সবাজার থেকেই জাহাজে সেন্টমার্টিন যেতে পারছেন পর্যটকরা। ৬ ঘন্টার যাত্রা পথে সূর্যাস্ত, পাহাড় এবং সমুদ্র- এই তিন সৌন্দর্য্য এক সঙ্গে উপভোগ করার সুযোগ হয়েছে পর্যটকদের। কক্সবাজার থেকেই সেন্টমার্টিন যাওয়ার এমন সুযোগ পেয়ে খুশি ভ্রমণ পিপাসুরা। নাচ, গান আর আড্ডায় স্বপ্নের দ্বীপ সেন্টমার্টিন পৌঁছে যান পর্যটকরা, ওই দিনই ফিরে আসেন তারা।সকাল হতে না হতেই জাহাজঘাটে মানুষের দীর্ঘ লাইন। উদ্দেশ্য কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাত্রা। ঘড়ির কাটায় সকাল ৭টায় ছেড়ে দেয় জাহাজ। এরপর শুরু হয় কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজে সমুদ্র ভ্রমণের আনন্দময় যাত্রা।আগে সেন্টমার্টিনে যেতে হলে টেকনাফ হয়ে যেতে হতো। এখন কক্সবাজার থেকেই সেন্টমার্টিন যাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিন কক্সবাজারের নুনিয়াছরা ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় কর্নফুলি এক্সপ্রেস। ফিরতি যাত্রা শুরু করে বিকেল ৩টায়।সমুদ্রের বুক চিড়ে এগিয়ে যায় কর্নফুলি এক্সপ্রেস। জাহাজ থেকে দূরে তাকালেই দেখা যায় আকাশ আর সাগরের মিতালী। গন্তব্য সেন্টমার্টিন। ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য এ এক অন্যরকম অনুভূতি।যাত্রাপথে শত শত গাঙ্গচিল সঙ্গ দেয় জাহাজভর্তি পর্যটকদের।জাহাজের এক পর্যটকরা জানালেন, সুন্দর মনোরম পরিবেশ পেয়েছি, জাহাজের উপর পানির ঝমঝম আওয়াজ। জাহাজ ভ্রমণ বেশ ভালই লাগছে, আশা করছি সেন্টমার্টিন গিয়ে আরও জমা করবো।৫ ঘণ্টার যাত্রা তাই পুরোটা সময় নেচে-গেয়ে উদযাপন করে ভ্রমণ-পিপাসুরা। এ এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা।কক্সবাজার থেকে সারাসরি জাহাজ চালু হওয়ায় সড়ক পথের ঝক্কি ও সময় দুটোই কমছে বলে খুশি পর্যটকরা।পর্যটকরা জানালেন, পুরো সমুদ্রের মাঝখান দিয়ে এতবড় শীপ নিয়ে আগে কখনও সেন্টমার্টিন যাওয়া হয়নি। সুতরাং আজকে এর অনুভূতিটা খুব ভালো লাগছে। প্রথমবার কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাচ্ছি, এখানের পরিবেশ খুবই সুন্দর।কর্নফুলি এক্সপ্রেসের চীফ ইঞ্জিনিয়ার বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।চীফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ দুলাল মিয়া আরও বলেন, সব ধরনেরই সেফটি ইক্যুপমেন্টগুলো আছে। যেমন প্রত্যেকটা যাত্রীর জন্য লাইফ জ্যাকেট আছে, ২৪ ঘণ্টার জন্য লাইফ রেফিট আছে।কক্সবাজার থেকে সমুদ্র পথে সেন্টমার্টিনের দূরত্ব ৯৫ কিলোমিটার। বিষয়টি চিন্তায় রেখেই সেন্টমার্টিনে ভ্রমণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শেয়ার চট্টগ্রামবিষয়: