ভারতের সঙ্গে সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

প্রকাশিত: ৫:২৫ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ১৭, ২০২০

বাণিজ্য, জ্বালানি, কৃষি, পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতায় সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ এবং ভারত। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে দ্বিপাক্ষিক সহায়তা সম্পর্কিত এসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের কিছু সময় আগে দুই দেশের মধ্যে এসব চুক্তি সই হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে স্ব স্ব বিভাগের প্রধান কর্মকর্তাগণ এবং ভারতের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী চুক্তিগুলোতে স্বাক্ষর করেন।

দুই দেশের মধ্যে যেসব বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে-বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সিইও ফোরাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে হাইড্রোকার্বন বিষয়ে সহযোগিতা, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে হাতি সংরক্ষণ বিষয়ে সহযোগিতা, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল জাদুঘর ও ভারতের জাতীয় জাদুঘর মধ্যে সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ও বরিশালের স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি।

এই সমঝোতা চুক্তির আওতায়, বরিশালের লামচড়ি অঞ্চলে পয়ঃনিষ্কাশন কার্যক্রমে সরঞ্জাম সরবরাহ করবে ভারত।

প্রথম চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সিওও ফোরাম গঠনে স্বাক্ষর করেন বাণিজ্য সচিব মোহাম্মদ জাফর উদ্দিন এবং ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কে দোরাই স্বামী। সমঝোতা চুক্তির আওতায় কৃষি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশ। এছাড়াও, হাইড্রোকার্বন খাতে, ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে জ্বালানি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম ফজলুল হক।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী খালিদ হোসেন ও পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভার্চ্যুয়াল সামিটে ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া নীলফামারীর চিলাহাটি সীমান্ত থেকে পশ্চিমঙ্গের হলদিবাড়ি পর্যন্ত রেল যোগাযোগের উদ্বোধন করা হয়। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ভারতের ডাক বিভাগের একটি স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত এবং ‘বঙ্গবন্ধু-বাপু ডিজিটাল এক্সিবিশনে’র উদ্বোধন করেন।
সূত্র : বাসস