বঙ্গবন্ধু আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের অস্তিত্বে যারা হাত দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চাই- সায়েম

প্রকাশিত: ২:৩৫ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ৭, ২০২০

সম্প্রতি দেশের যেসব জেলা-উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করা হয়েছে, সে ম্যুরালগুলোর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার (৭ ডিসেম্বর) বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি শাহেদ নুরউদ্দিনের ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এছাড়া, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ নির্মাণাধীন ম্যুরালেরও নিরাপত্তা দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে দক্ষিণ জেলা যুবলীগ নেতা আবু সাদাত মো. সায়েম বলেন, চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য রয়েছে কিন্তু সেই ভাস্কর্য নিয়ে তারা কিছু বলে না। এই বাস্তবতায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কথা বলায় একটা বিষয় পরিষ্কার যে, একটা পক্ষ পানি ঘোলা করে মাছ শিকারের পায়তারা করছে কিন্তু সেই স্বপ্ন সফল হবে না। দেশের মানুষ আগেই বিএনপি-জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছে সুতরাং তাদের নীল নকশা সবাই প্রতিহত করবে। নির্মাণাধীন ম্যুরালেরও নিরাপত্তা দিতে যুবলীগ অতন্দ্র প্রহরী হয়ে কাজ করবে বলে জানান তিনি। বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই ভাস্কর্য আছে কিন্তু হঠাৎ করেই মৌলবাদীরা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধীতা করছে। এর মধ্যে অনেক বড় ষড়যন্ত্র আছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে দেশ আজও স্বাধীন হতো না, পরাধীন থাকতো। দেশের মানুষ পাকিস্তানের গোলাম হয়ে থাকতো। মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জনের এই মাসে একদল দুষ্কৃতিকারী রাতের আঁধারে জাতির পিতার ভাস্কর্য ভাঙার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। আমরা এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। যারা জাতির পিতাকে অবমাননা ও অমান্য করে তারা স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বের বিরোধী। এ ধরনের অপতৎপরতা কোনোভাবেই বরদাশত্ করবেনা আওয়ামী যুবলীগ। এই সব সংশ্লিষ্ট ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সেই সবরাতের আঁধারের অপশক্তি ও মদদদাতাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টির অপকৌশল হিসেবে চিহ্নিত মহল এই অপতৎপরতায় মেতে উঠেছে। এদের শক্ত হাতে দমন করতে আইনের কঠোর প্রয়োগ চায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগসহ সকল সহযোগী সংগঠন।