বেনাপোলে ৩শ অভিবাসী প্রতারক চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেল

প্রকাশিত: ৪:৩৮ অপরাহ্ণ , মে ১৮, ২০২৪

দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আর্থিক লেনদেনের হাত থেকে রক্ষা পেলেন প্রায় ৩০০ অভিবাসী নারী-পুরুষ। শনিবার(১৮ মে) বেলা ১২ টার দিকে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে যশোর জেলার শার্শা উপজেলাধীন বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন রোডস্থ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবণ কার্যালয়ে।

ঘটনার বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রায় ৩০০ অভিবাসী নারী-পুরুষকে আর্থিক লেনদেনের হাত থেকে রক্ষা এবং উদ্ধারকারী “আমেরিকান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল সোলিডারিটি” এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি শার্শা উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা-নুরজাহান রীনা পারভিন জানান-” বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত অভিবাসী নারী-পুরুষদেরকে সাবলম্বী করে তুলতে প্রত্যেক অভিবাসীকে এককালীন আনুমানিক ১৩.০০০(তের হাজার) টাকা প্রদান করা হবে। তবে,টাকা গুলি যাতে তারা কাজে লাগাতে পারে,তার জন্য তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে একটি “শর্ট ট্রেনিং” এর ব্যবস্থা করা”।

“প্রাণী সম্পদ বিভাগ,যুব উন্নয়ণ অধিদপ্তর এবং কৃষি বিভাগ কর্তৃক ট্রেনিং প্রদান শেষে তাদেরকে সরকার প্রদত্ত আনুমানিক ১৩.০০০(তের হাজার) টাকা এককালীন প্রদান করা হয়। তিনি আরও জানান,যশোর জেলার অভিবাসীদের নামের তালিকা এবং ঠিকানা সংরক্ষণ করে থাকে যশোর জেলা শহরে অবস্থিত এনজিও প্রতিষ্ঠান “ওয়েলফেয়ার সেন্টার”। ঐ সেন্টারের কিছু অসাধু কর্মকর্তা/কর্মচারীর যোগাযোগে এক নারী প্রতারক যার ছদ্ধনাম-নাসমিন শিরীন,তার ব্যবহৃত মোবাইল নং-০১৭৩৪৫৪৫২৭২। সে “ওয়েলফেয়ার সেন্টার” যশোর অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া প্রায় ৩০০ অভিবাসী’র নাম এবং তাদের প্রত্যেকের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে”।

“প্রতারক নাসমিন শিরিন শনিবার(১৮ মে) সকালে ঐ অভিবাসীদের ট্রেনিং দেওয়া হবে বলে প্রত্যেককে ৭৫০/(সাতশত পঞ্চাশ) টাকা সাথে নিয়ে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন রোডস্থ “মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবণ” কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলে। মোবাইল মেসেজ পেয়ে ভুক্তভোগীরা “মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবণ” কার্যালয়ে হাজির হতে থাকে। উপস্থিত ভুক্তভোগীগণ প্রতারকের খপ্পরে পড়েছে এমন সংবাদ পেয়ে আমি(নুরজাহান রীনা পারভীন) বেলা ১১টার দিকে ঘটনা স্থলে পৌছে উপস্থিত অভিবাসীদেরকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করি”।

“এ ব্যাপারে জানতে “মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবণ” কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-নয়ন কুমার রাজবংশী’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কাউকে বা কোন প্রতিষ্ঠানকে সভা-সমাবেশ করার অনুমতি দেননি বলে আমাকে(নুরজাহান রীনা পারভীন) জানান”।

বিষয় সম্পর্কে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে মুঠোফোনে যোগযোগ করলে ওপাশ থেকে মোবাইল ফোন রিসিভ করা হয়নি।

Loading