শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে

প্রকাশিত: ১০:০২ পূর্বাহ্ণ , জানুয়ারি ৬, ২০২৩

দেশে শীত পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। গত কয়েকদিন বিচ্ছিন্নভাবে দেশের দু-এক স্থানে শৈত্যপ্রবাহ ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার একযোগে আট অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

শুধু তাই নয়, ঢাকায় তাপমাত্রা একদিনেই দুই ডিগ্রি কমেছে। শীত পরিস্থিতির এই অবনতি আরও দু-একদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)।

দিন ও রাতের তাপমাত্রায় পার্থক্য কমে যাওয়ার কারণে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র শীতের অনুভূতি থাকতে পারে। আগামী দুইদিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। আর বর্ধিত পাঁচদিনে রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।

আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

বিএমডির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। এই শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গল ও বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে।

বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড চলে যায় যশোরে। শ্রীমঙ্গলের মতোই যশোরে বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বোচ্চ ২০ ডিগ্রি। তাপমাত্রার পার্থক্য দাঁড়ায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও শীতের অনুভূতি ছিল তীব্র।