লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার

প্রকাশিত: ৪:২৮ অপরাহ্ণ , আগস্ট ৫, ২০২২

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে লাগাম নেই। পাঁচ দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচে ৩০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে একই মরিচ প্রতি কেজি ২৫০-৩০০ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। শুধু মরিচই নয়, বাজারে বেশির ভাগ পণ্যের দামই ঊর্ধ্বমুখী, এতে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

মরিচের দাম নিয়ে এক ক্রেতার দাবি, কদিন আগেও ২৫০ গ্রাম মরিচ কিনেছি ২৫ টাকায়। এক সপ্তাহের মধ্যে দাম বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা। এর আগেও এভাবে মরিচের দাম বেড়ে গিয়েছিল। নিত্যপণ্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাবে।

শান্তিনগর কাঁচাবাজারে মরিচের দাম ২৬০ টাকা কেজি। অনেকেই ২৫০ গ্রাম মরিচ না কিনে, খরচ বাচাতে ১৫০ গ্রাম করে মরিচ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

মরিচের দাম এত কেন জানতে চাইলে এক ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের করার কী আছে? পাইকারি বাজারে মরিচের দাম বেশি। এদিকে বাজারে পর্যাপ্ত মরিচও আসছে না। ক্রেতাদের চাহিদা থাকলেও সে অনুসারে মরিচের জোগান না থাকায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

মরিচের দাম কবে কমবে জানতে চাইলে মহাখালী কাঁচাবাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, পাইকাররা বলছেন, মরিচের চলতি মৌসুম শেষের দিকে। ক্ষেতে নতুন মরিচ উঠার পর দাম কমে আসবে।

মরিচ ছাড়াও কাঁচা বাজারগুলোতে প্রায় সব ধরনের সবজির কেজি অন্তত ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। কাঁকরোল, উস্তা, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, বরবটির মতো সবজি ক্রেতাদের ৫০-৭০ টাকা কেজিতে কিনতে দেখা গেছে। এসব সবজি গত সপ্তাহেও কেজিতে ৪৫-৫০ টাকার মধ্যে ছিল বলে জানিয়েছেন বাজারে আসা ক্রেতারা।

গত সপ্তাহে কাঁকরোল ৫০, উস্তা ৭০-৭৫, বরবটি ৬০, কাঁচকলা ৩০, মিষ্টি কুমড়া ৫০, গাজর ১৪০, শালগম ১২০, লাউ প্রতিটি ৫০-৬০, বরবটি ৭০, পটোল ৬০, আলু ২৮-৩০, পেঁয়াজ ৪৫ ও টমেটো ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

৫০ কেজির বস্তার সব ধরনের চালে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। খুচরাপর্যায়ে এসব চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৫ টাকা। মানভেদে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮-৭২ টাকায়, বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৫২-৫৩, নাজিরশাইল ৭৪ থেকে ৮২ এবং পোলাওর চাল বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।