ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের মামলা

প্রকাশিত: ২:০২ অপরাহ্ণ , আগস্ট ৩১, ২০২০

জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের বরখাস্ত হওয়া চিকিৎসক ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নির্বাচন কমিশন। দ্বৈত ভোটার হয়ে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নেয়ার অভিযোগে এ মামলা করা হয়।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. পারভেজ আরটিভি নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গুলশানা থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া বাদী হয়ে রাজধানীর বাড্ডা থানায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে ২০১০ সালের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের ১৪ ও ১৫ ধারায় মামলাটি দায়ের করেছেন।

 

মামলা প্রসঙ্গে গুলশানা থানা নির্বাচন অফিসার মমিন মিয়া জানান, মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বৈত ভোটার হয়ে এবং একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে আইন অনুযায়ী অপরাধ করেছেন সাবরিনা শারমিন হুসাইন। মামলায় তার দুটি এনআইডির তথ্য তুলে ধরে বিবাদীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

 

মামলার এজাহারে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র রাখা ও দ্বৈত ভোটার হওয়ায় সাবরিনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।সাবরিনা ২০০৯ ও ২০১৬ সালে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র করেন। ২০০৯ সালে তিনি সাবরিনা শারমিন হোসেন নামে পরিচয়পত্র করান। জন্মতারিখ ও সাল দেন ২ ডিসেম্বর ১৯৭৮। ২০১৬ সালে সাবরিনা শারমিন হুসেন নামে পরিচয়পত্র করেন। জন্মতারিখ ও সাল দেন ২ ডিসেম্বর ১৯৮৩।
২০০৯ সালের পরিচয়পত্রে সাবরিনা তাঁর স্বামীর নাম আর এইচ হক ও ২০১৬ সালে আরিফুল চৌধুরী উল্লেখ করেন। ২০০৯ এ ঠিকানা হিসেবে মোহাম্মদপুর ও ২০১৬ সালে গুলশান উল্লেখ করেন সাবরিনা। দু্ই পরিচয়পত্রে বাবা ও মায়ের নামও আলাদা আলাদা উল্লেখ করা হয়।

 

এদিকে, ১৪ ধারায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে। আর ১৫ ধারায় একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলেও একই শাস্তি হতে পারে। এর আগে তার বিরুদ্ধে জেকেজি হেলথ কেয়ারের জালিয়াতির ঘটনায় মামলা হয়েছিল। ওই মামলায় বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।