কোন জেলায় কতজন আক্রান্ত?

প্রকাশিত: ৫:১৫ অপরাহ্ণ , জুলাই ১৪, ২০২০

দেশে করোনাভাইরাসে দিন দিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৬৩ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৭ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৩ জন। এখন পর্যন্ত দেশে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৪২৪ জনের।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৯৮৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৪৫৩টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নয় লাখ ৬৬ হাজার ৪০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হলো। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও চার হাজার ৯১০ জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ তিন হাজার ২২৭ জনে।
তিনি আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টা নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগী বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।
ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের ২৩ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী। এদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব দুইজন, চল্লিশোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ছয়জন, ষাটোর্ধ্ব নয়জন, সত্তরোর্ধ্ব ১১ জন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী একজন ছিলেন। ১৩ জন ঢাকা বিভাগের, তিনজন চট্টগ্রাম, চারজন রাজশাহী, পাঁচজন সিলেট, পাঁচজন খুলনা, দুইজন রংপুর ও একজন বরিশাল বিভাগের। হাসপাতালে মারা গেছেন ২৯ জন ও বাসায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, দেশের বিভিন্ন জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা হলো- ঢাকা ২৬,৩৩৫, চট্টগ্রাম ১০,২৪২, নারায়ণগঞ্জ ৫,৫৬২, কুমিল্লা ৪,১৬৭, গাজীপুর ৩,৮৬৪, বগুড়া ৩,৬০৮, সিলেট ৩,০৭০, খুলনা ৩,০৩০, কক্সবাজার ২,৬৮৭, নোয়াখালী ২,৫৪১, মুন্সীগঞ্জ ২,৪৯৬, ফরিদপুর ২,৪৪৪, ময়মনসিংহ ২,০৫২, কিশোরগঞ্জ ১,৭৩৯, বরিশাল ১,৬৮৬, নরসিংদী ১,৫৯২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১,৫০৫, রাজশাহী ১,৪৬৯, চাঁদপুর ১,২৮৫, সুনামগঞ্জ ১,১৭০, লক্ষ্মীপুর ১,০৮৯, ফেনী ১,০০৪, যশোর ৯৮৪, রংপুর ৯৮৩, কুষ্টিয়া ৯৩৮, টাঙ্গাইল ৯১৫, হবিগঞ্জ ৮৯৯, মাদারীপুর ৮৩২, গোপালগঞ্জ ৭৯৯, সিরাজগঞ্জ ৭৮৬, মানিকগঞ্জ ৭১৬, পটুয়াখালী ৬৭৬, দিনাজপুর ৬৭৫, শরীয়তপুর ৬৬৮, মৌলভীবাজার ৬৫৭, জামালপুর ৬৪৮, নওগাঁ ৬২৬, পাবনা ৫৯৯, রাজবাড়ী ৫৬৩, নেত্রকোনা ৫৫১, জয়পুরহাট ৫১৬, ঝিনাইদহ ৪১৫, রাঙ্গামাটি ৪০৯, বরগুনা ৩৮৩, ভোলা ৩৭৬, নড়াইল ৩৬১, নীলফামারী ৩৫৩, সাতক্ষীরা ৩৩৪, বান্দরবান ৩২৮, গাইবান্ধা ২৮৮, বাগেরহাট ২৮৮, চুয়াডাঙা ২৭৮, শেরপুর ২৬৪, নাটোর ২৬৪, ঝালকাঠী ২৪২, খাগড়াছড়ি ২৩৭, পিরোজপুর ২১৮, ঠাকুরগাঁও ২০৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১৫৭, কুড়িগ্রাম ১৪৯, পঞ্চগড় ১৪৬, লালমনিরহাট ১২৬ ও মেহেরপুর ৯৭ জন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ঠিক ১০ দিন পর প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।