আকশচুম্বী বিমান টিকেট – আরাফ ইসলাম

প্রকাশিত: ৮:০২ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ২৩, ২০২২
একজন প্রবাসী ২/৩ বছরে কমপক্ষে একবার দেশে যেতে চায় তার পরিবারের সাথে সময় কাটানোর জন্য। যুগের পর যুগ নিজের পরিবার ছেড়ে ভীনদেশে থাকা মানুষটির জন্য এটা প্রাপ্য। হাড়ভাংগা প্রবাসীদের এটা ন্যায্য অধিকার।
কয়েক বছর পর পরিবারের সাথে দেখা করার জন্য প্রসাধনী এবং প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতেই একজন প্রবাসীর সেভিংস শুন্য হয়ে যায়। তার মধ্যে পাড়াপ্রতিবেশীর চাহিদা। আমার চাচাতো ভাইয়ের সালার শশুর সিংগাপুর থাকে সে তোহ আসার সময় আমার জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসবেই।
এতোসব ভুগান্তির মধ্যেই যখন বিমান টিকেটের দাম আকাশচুম্বী তখন ছুটি পেয়েও একজন প্রবাসীর আর দেশে যাওয়া হয় না। আদরের মেয়েকে ভিডিওকলে বারবার একই আশ্বাস, পরের মাসেই আসছি বাবা। মাসের পর মাস যায় সেই পরের মাস আর আসে না।
বিমান টিকিটে সিন্ডিকেটের প্রভাব এখনও আছে। যারা বলে এখন আর সিন্ডিকেট নেই, তাদের চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও তারা বলবে কোথায়? এই অনিয়ম দেখার যেনো কেউ নেই। রিসেন্টলি বিমান টিকিটের দাম যে হারে বাড়ছে তাতে আমার ভয় হয় আবার সেই কোভিডের পরের সিচুয়েশন যেনো ফিরে না আসে।
প্রশাসন এবং সরকারের নজর এদিকে দেওয়ার টাইম কই? যখন রিজার্ভে ঘাটতি পরবে তখন সবাই তেলের বোতল নিয়ে হাজির হবে প্রবাসীদের পায়ে মাখার জন্য। মধ্যপ্রাচ্যসহ, সিংগাপুর এবং অন্যন্য যেসব দেশে বাংলাদেশি প্রবাসীর সংখ্যা বেশি সরকারের উচিৎ ভর্তুকি দিয়ে হলেও এসব দেশের টিকেটের দাম সাশ্রয়ী রাখা।
প্রবাসীদের এসব ভুগান্তি চলতে থাকলে আবার তেল নিয়ে আইসো ‘বৈধ পথে রেমিটেন্স পাঠান’, অই তেলের বোতল প্রবাসীরা তোমাদের পেছন দিয়ে ভরে দিবে।