রাত পোহালেই যুবলীগের মহাসমাবেশ

প্রকাশিত: ৮:০৪ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ১০, ২০২২

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী (৫০ বছর পুর্তি) উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার রাজধানীতে বড় ধরনের শোডাউন করবে যুবলীগ। রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১০ লাখের অধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতির টার্গেট ধরে যুব মহাসমাবেশের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বৃহত্তম এই যুব সংগঠনটি। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

যুব মহাসমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত গণমাধ্যমে তুলে ধরেছে যুবলীগ। কোন কোন রুট ধরে সম্মেলনস্থলে প্রবেশ করতে হবে তারও নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

যুবলীগ জানায়, যুব মহাসমাবেশকে মহা জনসমুদ্রে পরিণত করা হবে আজ। এই কর্মসূচি সফল করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সারাদেশ থেকে তাদের নেতাকর্মীরা কোন রুটে সম্মেলনস্থলে প্রবেশ করবে তার বিস্তারিত তথ্যও ইতোমধ্যে সংবাদ সম্মেলনে যুবলীগ তুলে ধরেছে।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘চারদিকে নাগিনীরা বিষাক্ত নিশ্বাস ফেলছে। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন ও ১১ নভেম্বর ঐতিহাসিক সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য যুব মহাসমাবেশ। এই মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে রচিত হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে ইস্পাত-কঠিন ভিত্তি। যা বিএনপি-জামায়াতের কাছে অজেয়, দুর্লঙ্ঘনীয়।

তিনি বলেন, ১১ নভেম্বরের পর থেকে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেবে না বাংলার যুব সমাজ।’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্য যে কোনো বারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর চেয়ে এবারে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সম্পূর্ণ আলাদা হবে। সমাবেশ থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা থাকবে যুবলীগের নেতাকর্মীদের প্রতি। রাজপথে বিরোধী দলের হুঙ্কার ও সহিংসতা মোকাবিলার পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন প্রচারে মাঠে কাজ করবে যুবলীগ।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ১১ নভেম্বর যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় যুব মহাসমাবেশ করবে যুবলীগ। জনসমুদ্রে পরিণত হবে যুব মহাসমাবেশ। স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত এর সকল ষড়যন্ত্র রাজপথে মোকাবিলা করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হোসেন খান নিখিলসহ দলের কার্যনির্বাহী সংসদের নেতারা। এাই যুব মহাসমাবেশে ভিআইপি গেট বাদে প্রবেশের গেট থাকবে পাঁচটি। এগুলো হলো- টিএসসির রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন গেট, মেট্রোরেল স্টেশন গেট, রমনা কালি মন্দির গেট, মেট্রোরেল গেট-১ (মাজার গেটের পরের গেট) এবং মাজার গেট। সমাবেশে প্রবেশের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সবুজ কার্ডধারী অতিথিরা ৩ নম্বর গেট (রমনা কালীমন্দির গেট) দিয়ে প্রবেশ করবেন।

রংপুর বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ ও ঢাকা মহানগর উত্তর, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, ঢাকা জেলা উত্তরের নেতাকর্মীরা প্রবেশ করবেন ১ ও ২ নম্বর গেট দিয়ে। বৃহত্তর ফরিদপুর, খুলনা বিভাগ, বরিশাল বিভাগ, সিলেট বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগ, ঢাকা জেলা দক্ষিণ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের নেতাকর্মীরা প্রবেশ করবেন ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গেট দিয়ে।

Loading