স্ত্রীর মন রাখতে মেয়ে হলেন স্বামী!

প্রকাশিত: ১২:৩৬ অপরাহ্ণ , মার্চ ৯, ২০২২

পৃথিবীতে স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার অনেক উদাহরণ রয়েছে। স্ত্রীর মন রাখতে স্বামীরা অনেক কিছুই করে থাকেন। কিন্তু কখনো কী শুনেছেন স্ত্রীর মন রাখতে স্বামী নিজেই পুরুষ থেকে নারী হয়ে গেছেন।

ভারতের দিল্লিতে এমন ঘটনাই ঘটেছে। সঞ্জয়-নীলা সুখেই সংসার করছিলেন। সঞ্জয় ছিলেন নীলার প্রতি খুবই দায়িত্ববান। অফিসে শত কাজের মধ্যেও বউ ঠিকঠাক খাওয়া-দাওয়া করছেন কিনা, তার খোঁজ রাখতেন। এমনকী, সংসারের কাজে বউকে সাহায্যও করতেন সঞ্জয়। সপ্তাহে একদিন স্ত্রীকে পুরো বিশ্রাম দিয়ে নিজেই রান্না করতেন সঞ্জয়।

সবই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু হঠাৎই সুখের সংসারে আসল নতুন মোড়।

ঘটনার শুরু সঞ্জয়ের অফিসের এক নারী সহকর্মীকে নিয়ে। তার কাছ থেকে সঞ্জয় জানতে পারেন, তিনি আগে পুরুষ ছিলেন, পরে অস্ত্রোপচার করে নারী হয়ে উঠেছেন। সে কথা বাড়িতে এসে স্ত্রী নীলাকে জানান তিনি। তখনই নীলা রসিকতা করে সঞ্জয়কে বলেন, তুমি মেয়েদের মতোই কেয়ারিং। তুমিও অপারেশন করে মেয়ে হয়ে যাও!

স্ত্রীর কথাতেই সঞ্জয় ঠিক করেন তিনি মেয়ে হবেন। ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করে অপারেশনও করিয়ে ফেলেন। এরপর থেকেই সঞ্জয় ও নীলার জীবন বইতে শুরু করে অন্যখাতে।

পাড়া-পড়শি জানতেই পারল না পুরো ঘটনা। নারীরূপের সঞ্জয়কে নীলা বান্ধবী বলেই পরিচয় করাতেন সবার কাছে। তবে বিপদ হয়, সঞ্জয়ের বাবা-মা হঠাৎ দিল্লিতে ঘুরতে আসায়। ছেলের এই অবস্থা দেখে জ্ঞান হারানোর অবস্থা তাদের।

এ পর্যন্ত কিছুটা পরিস্থিতি সামলেও নিয়েছিলেন সঞ্জয়-নীলা। কিন্তু হঠাৎ বাঁধল গণ্ডগোল। সঞ্জয়ের মা-বাবা পুরো ঘটনার জন্য দায়ী করলেন পুত্রবধূ নীলাকেই। শ্বশুর-শাশুড়ির অভিযোগ শুনে বাপের বাড়ি চলে যান নীলা। শেষমেশ সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করেন বিবাহবিচ্ছেদের মামলা। সুশীলের বাবা-মাও পালটা মামলা দায়ের করেছেন নীলার বিরুদ্ধে।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন