৭ মার্চের ভাষণ নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র করেছিল

প্রকাশিত: ১০:৩৯ অপরাহ্ণ , মার্চ ৬, ২০২২

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র করেছিল। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে একটি প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সাধারণ মানুষের জনযুদ্ধে পরিণত হয়। শত্রু সেনার সামনে জনসাধারণকে এই ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা ছিল ভাষণে।

রবিবার (৬ মার্চ) দুপুর ১২ টায় জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মিলনায়তনে ‘৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধের সৈন্যতে পরিণত করতে পেরেছিলেন। ১৯৭১ সালে একটি প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সাধারণ মানুষের জনযুদ্ধে পরিণত হয়। শত্রু সেনার সামনে জনসাধারণকে এই ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা ছিল ভাষণে।

মেঠো ভাষায় ও সাধারণ মানুষের ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল খুবই কৌশলী। তিনি ভাষণে নিরস্ত্র মানুষকে স্বাধীনতার ডাক দেন, কিন্তু দেশ স্বাধীন করতে বলেননি। তাই সামরিক বাহিনীর লোকজন পশ্চিম পাকিস্তানে খবর পাঠায়, চতুর শেখ মুজিব স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন। কিন্তু দেশ স্বাধীন ঘোষণা করেননি। তাই কার্যত আমাদের দেখা ছাড়া কিছুই করার নেই। এভাবেই বঙ্গবন্ধু নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে পরিণত করেছিলেন।

তাই এ ভাষণের গুরুত্ব কম নয় বলে মন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে বাঙালীরা কখনোই স্বাধীন ছিল না। নবাব সিরাজউদ্দৌলাও দিল্লির বাদশাকে কর দিতেন। এরপর নানা শাসক বাংলার ক্ষমতায় আসলেও বাঙালী জাতি কখনোই স্বাধীন হয়নি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালী জাতি স্বাধীন জাতিসত্তা হিসেবে বিশ্বের দরবারে স্বীকৃত। এ স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই ভাষণের সামনে লক্ষাধিক মানুষ উপস্থিত হয়। বিশ্বের আর কোনো ভাষণে এত মানুষ ছিল না।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ আরও বলেন, কিন্তু বিএনপিসহ তাদের মিত্ররা ৭ মার্চের ভাষণ পালন করে না। ৭ মার্চের ভাষণ বাদে তো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাবা যায় না।

Loading