গণতন্ত্র হচ্ছে মশারি ঢাকা আরামদায়ক বিছানা

প্রকাশিত: ৪:৫১ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
ফাইল ছবি

গণতন্ত্রকে মশারি ঢাকা আরামদায়ক বিছানা বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র হচ্ছে মশারি ঢাকা আরামদায়ক বিছানা। আপনি ভেতরেও থাকতে পারবেন বাইরেও দেখতে পারবেন। কিন্তু মশা-মাছি পোকামাকড় ওই বিছানায় ঢুকতে পারবে না।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে গণমাধ্যম উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টি’র উদ্যোগে আয়োজিত সাংবাদিকতা ও নীতি-কাঠামো প্রবণতা ও সুপারিশ গবেষণা ফলাফলের সার-সংক্ষেপ বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন।

সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রতিথযশা সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, আইনজীবী ও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, রাষ্ট্র, সরকার ও প্রশাসন যতদিন থাকবে ততদিন গণমাধ্যমের সঙ্গে বিরোধ চলতে থাকবে। কারণ, গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। এর দায়িত্ব হচ্ছে প্রহরীর দায়িত্ব। জবাবদিহিতা অর্জন করার দায়িত্ব এবং সরকারের প্রশাসনের ত্রুটি-বিচ্যুতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার প্রকাশ করার দায়িত্ব। স্বাভাবিকভাবে গণমাধ্যমের পাশাপাশি বিচারবিভাগের সঙ্গেও প্রশাসনের দ্বন্দ্ব বিরোধ চলতেই থাকবে। বিচার বিভাগের দিকে যদি তাকান তাহলে দেখবেন প্রশাসনের অনেক কর্মকাণ্ড বিচার বিভাগ নাকচ করে দিচ্ছে। প্রশাসনের সঙ্গে জড়িত অনেক ব্যক্তিদের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড বা দুর্নীতি কিংবা নৈতিক স্খলন ইত্যাদি বিষয়ে বিচার বিভাগ পদক্ষেপ নিচ্ছে। ফলে বিচার বিভাগের সঙ্গে প্রশাসনের কর্মচারীদের একটা সংক্ষুব্ধ অবস্থায় রয়েছে।

তিনি বলেন, চমৎকার গণতন্ত্রেও প্রশাসনের সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের দ্বন্দ্ব বিরোধ চিরন্তন। সেই দ্বন্দ্ব বিরোধ স্বীকার করে নিয়েই সাংবাদিকদের এগুতে হবে এবং কাজ করতে হবে।

Loading