বড়দিন ও নববর্ষের আয়োজন সীমিত করার নির্দেশ

প্রকাশিত: ২:৪৩ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ২১, ২০২১

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি বলেছেন, খাবারের গুণগত মান অক্ষুণœ রাখা এবং সহজলভ্য দামই নির্দিষ্ট খাবার ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের গ্রহণ যোগ্যতা বাড়ায়। ব্যবসায়িক কর্মকান্ড পরিচালনার সময় ব্যবসায়ীদের এসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
উপমন্ত্রী আজ নগরীর পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকায় খাদ্য সামগ্রী বিপনন প্রতিষ্ঠান মিলানো এক্সপ্রেসের দেশী ও আন্তর্জাতিক মানের মুখরোচক খাবারের নতুন বছরের জন্য নতুন মেন্যু উন্মুক্তকরণকালে এসব কথা বলেন।
উপমন্ত্রী বলেন, ভোক্তার কাছে সহজলভ্য খাবার এবং দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা সম্ভব হলে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের মেন্যুর গ্রহণ যোগ্যতা বাড়ে। সাধারণের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমান সময়ে মানুষের চাহিদার পরিপূরক খাদ্য সামগ্রীর গুণগত মান অক্ষুণœ রাখার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য পরিবেশনার বিষয়টিকেও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের মাথায় রাখতে হবে। কারন নিরাপদ খাদ্য জনস্বাস্থ্য রক্ষার প্রধান শর্ত। তিনি বিক্রেতা ও উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য বিপনন শুধুমাত্র ব্যবসায়ই নয়, এটা এক ধরণের সেবামূলক সার্ভিস।
মিলানো এক্সপ্রেসের পরিচালক বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন, আলবিওন গ্রæপের চেয়ারম্যান রাইসুল উদ্দিন সৈকত, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, এন. মোহাম্মদ প্রæপের চেয়ারম্যান মনজুরুল হক, বিসমিল্লাহ কার সেন্টারে পরিচালক মোহাম্মদ জোবায়ের সাদেক প্রমুখ। দেশে বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষের উৎসব ঘিরে উদযাপন সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন দ্রুত ছড়াতে থাকায় উৎসবের আয়োজন সীমিত করার এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভাগীয় কমিশনার, মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও মহাসচিবকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, “প্রকাশ্যে কোনো সভা, সমাবেশ এবং ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে আয়োজন করাই যৌক্তিক হবে।”

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর। আর তার এক সপ্তাহের মাথায় ৩১ ডিসেম্বর রাতে বর্ষবরণের উৎসব।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের চিঠিতে বলা হয়েছে, “প্রতি বছর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘শুভ বড়দিন’ ২৫ ডিসেম্বর যথাযথ মর্যাদা, আনন্দ, উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হয়। সেইসঙ্গে ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরে ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উপলক্ষেও বিভিন্ন স্থানে আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়। অতিমারী করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী সব ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, জনসমাবেশ অত্যন্ত সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়াভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান সীমিত করে পালিত হয়েছে।”

এ পরিস্থিতিতে বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরের আয়োজন সীমিত রাখার নির্দেশনা দিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘কঠোর নজরদারি’ অব্যাহত রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

Loading