বশেমুরবিপ্রবিতে স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি পালন

প্রকাশিত: ১১:০২ অপরাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১

স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ ও বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

আজ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে বশেমুরবিপ্রবিতে স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগ চালু করা হয়। বর্তমানে বিভাগটিতে দুই ব্যাচ মিলিয়ে প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। তবে বিভাগটিতে কোনো স্থায়ী শিক্ষক নেই। এমনকি শিক্ষকের অভাবে সেশনাল ডিজাইন কোর্স বন্ধ রয়েছে অনেকদিন। এছাড়া শুধুমাত্র একটি ডিজাইন স্টুডিও ছাড়া বিভাগের কোন অফিস রুম, টিচার রুম, কম্পিউটার ল্যাব নেই। নেই স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি।

তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউট (বাস্থই) হচ্ছে বাংলাদেশের সকল ইন্সটিটিউট এর স্থাপত্য বিভাগের মানদণ্ড অনুযায়ী অনুমােদন প্রদানকারী সরকারি সংস্থা। আমাদের শিক্ষা পরবর্তী ভবিষ্যৎ এর জন্য দরকার ইন্সটিটিউট অফ আর্কিটেকস বাংলাদেশ (IAB) এর এক্রিডেশন; যা ছাড়া আমাদের স্বীকৃতি থাকবে না আর্কিটেক্ট হিসাবে।

শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউট এর মানদন্ড অনুযায়ী যেখানে আমাদের ২৫ ভাগ অস্থায়ী শিক্ষক নেওয়ার কথা থাকলেও গত ৩ বছর যাবত এই বিভাগ ১০০ ভাগ অস্থায়ী শিক্ষক দিয়ে পরিচালনাকরা হচ্ছে। প্রথম থেকেই আমরা শিক্ষার্থীরা স্থায়ী শিক্ষক নিয়ােগ এর কথা প্রশাসনকে বার বার জানিয়ে আসলেও তাদের কোন অগ্রগতি ছিল না। এমনকি করােনা মহামারীতেও বেশ কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করলে প্রশাসন আমাদের অপেক্ষা করার কথা শুনিয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে।
সর্বশেষ গত ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে প্রায় সকল শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এসেছিলাম কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও তখনও আমাদের শিক্ষক নিয়োগ দেবার কোন সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়নি প্রশাসন।

এ বিষয় বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য ড. অধ্যাপক এ.কিউ.এম মাহবুব বলেন, শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রদান করবো।

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগটি ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে চলমান। এই বিভাগে দুই ব্যাচের মােট ৭০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।