এ বছরই চালু হচ্ছে স্বপ্নের পায়রা সেতু

প্রকাশিত: ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ , এপ্রিল ৬, ২০২১

পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে দেশের চতুর্থ বৃহত্তম লেবুখালী পায়রা সেতুর নির্মাণ কাজ। এরইমধ্যে এ সেতুর ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ বছরের ডিসেম্বরে যান চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সেতু কর্তৃপক্ষ। 

সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার পাশাপাশি এ অঞ্চল অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।

ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের লেবুখালী এলাকায় পায়রা নদীর ওপর ১ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৯ দশমিক ৭৬ মিটার প্রস্থ এ সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই। তৃতীয় কর্ণফুলী সেতুর আদলে এক্সট্রাডোজ ক্যাবল স্টেট পদ্ধতিতে সেতুটি নির্মাণ করছে চীনের প্রকৌশল সংস্থা লং জিয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ কনস্ট্রাকশন কোম্পানি।

স্থানীয়রা বলছেন, এ সেতু চালু হলে কুয়াকাটা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে রাজধানীতে যাতায়াত করা যাবে নির্বিঘ্নে। ফলে সাশ্রয় হবে পণ্য পরিবহনসহ যাত্রীদের সময় ও অর্থ।

দেশের বৃহত্তর পদ্মা সেতুর পর এখন দৃশ্যমান পায়রা সেতুও। সেতু দুটি চালু হলে পায়রা বন্দর, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চল অর্থনৈতিক জোনে পরিণত হবে বলে জানান পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ্ব কাজী আলমগীর।

এরই মধ্যে এ সেতুর ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতুটির কাজ শেষ করে এটি চলতি বছরের মধ্যে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার হবে বলে জানালেন লেবুখালী পায়রা ব্রীজ প্রকল্পের পরিচালক মো. আবদুল হালিম।

সরকার নির্ধারিত সময়ে পায়রা সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনবে, এনটাই প্রত্যাশা সকলের।