৫৬৮ কোটি টাকা প্রণোদনা পেলেন ৫ লাখ খামারি

প্রকাশিত: ৫:৪৯ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৫ লাখ খামারিকে ৫শ’ ৬৮ কোটি টাকা আর্থিক প্রণোদনা দিলো সরকার। ৬১ জেলার ৪৬৬টি উপজেলা থেকে বাছাই করা চূড়ান্ত সুপারিশকৃত খামারিদের মোবাইল একাউন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রণোদনার অর্থ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মধ্যস্বত্বভোগীদের সুবিধা না দিয়ে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের হাতে প্রণোদনার অর্থ তুলে দেয়া হচ্ছে।

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি জিডিপির এক চতুর্থাংশের বেশি অবদান রাখছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত। মাছ-মুরগি, গরু-ছাগলের খামার গড়ে অনেক বেকার সাবলম্বী হয়েছেন। হয়েছেন উদ্যোক্তাও। একইসাথে দেশে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণেও ভূমিকা রাখছে এই খাতটি।

করোনাকালে বাজার ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত হওয়ায় উৎপাদন ও বিপণন ব্যহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কয়েক লাখ খামারি। সংকটকালে সরকারের প্রণোদনায় ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৫ লাখ খামারিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৫শত ৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হলো। অর্থনীতির ভীত কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে এই প্রণোদনা খামারিদের ঘুরে দাঁড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সরকারের মন্ত্রীরা।
অনিয়ম এড়াতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি খামারির হাতে পৌঁছে দেওয়া হলো এই প্রণোদনা।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল টাকাটা যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে না পড়ে। প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করে বলেছিলেন যে, খামারিকে তার নির্দিষ্ট মোবাইল নাম্বারেই টাকাটা পৌঁছতে হবে। আমরা একটার পর একটা করে পুনঃনিরীক্ষণ করেছি, যেন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বাদে অন্যের নাম্বারে টাকাটা না যায়। আমদের আরও দুই লাখ ক্ষতিগ্রস্তকে এইভাবে প্রণোদনা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষাধীন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশণা অনুযায়ী এই প্রণোদনা দলমত নির্বিশেষে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।