প্রকাশিত: ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ , জানুয়ারি ২৩, ২০২১

উত্তর-মধ্যাঞ্চলসহ সারাদেশে ঘন কুয়াশার সাথে হিমেল বাতাস, সেই সাথে বেড়েছে শীতের তীব্রতাও। বাড়ছে ঠাণ্ডাজনিত রোগবালাই। চরাঞ্চলসহ অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা আছে দুর্ভোগে। কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

হাড়কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ; ঘন কুয়াশায় জনজীবনে স্থবিরতা। জবুথবু শীত আগুন জ্বালিয়ে নিবারণের চেষ্টা।

বগুড়ায় খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষদের দুর্ভোগ বেড়েছে। প্রচণ্ড শীতে কাজে যেতে পারছে না; মানবেতর দিন কাটছে তাদের।

স্থানীয়রা জানান, ঠাণ্ডার ভেতরে বাইরে বের হতে পারছি না এবং কাজকর্মও করতে পারছি না।

রংপুরে শীতের কারণে সবচেয়ে কষ্টে আছে শিশু আর বৃদ্ধরা। নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। শীতের তীব্রতার সাথে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের দাপট।

বেশ কয়েকদিন ধরে মৃদু শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশা এবং কনকনে ঠাণ্ডায় গাইবান্ধার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ছিন্নমুল মানুষের সমস্যা প্রকট হয়ে উঠছে।

ভুক্তভোগী মানুষরা জানান, খুব শীত, কুয়াশা বৃষ্টির মতো ঝপঝপ করে পড়ছে।

প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশার আচ্ছাদন বাড়তে থাকায় সিরাজগঞ্জের ৫ উপজেলার চরাঞ্চলে নানা দুর্ভোগ দেখা দিচ্ছে।

এলাকার মানুষরা জানান, ৬-৭ দিন ধরে এমন পর্যায় যে বাইরেই বের হওয়া যাচ্ছে না। সকালে কুয়াশা আর শিশির বৃষ্টির চেয়েও বেশি থাকে।

শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নাটোরে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে গরম কাপড় বিতরণ করা হয়েছে।

জামালপুরে ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় থমকে গেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগও।

অভিভাবকরা জানান, আমার শিশু সন্তান ৪ দিন ধরে ঠাণ্ডাজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি।