‘ধর্ষকদের পাহারাদার’ লিখে বিপাকে লংমার্চ কারীরা, পাল্টাপাল্টি অভিযো

প্রকাশিত: ১০:৪৫ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ১৭, ২০২০

লংমার্চে অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ, হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত। স্থানীয় আওয়ামী লীগ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা এই অভিযোগে তাৎক্ষনিক সংবাদ সন্মেলন করে।


লংমার্চে অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ, হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত।
ঢাকা থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে শনিবার বামপন্থী কয়েকটি সংগঠনের নেতাকর্মীদের ধর্ষণ বিরোধী লংমার্চে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ধর্ষণের বিচারের দাবিতে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে লংমার্চ শুরু করে বামপন্থী সংগঠনগুলোর চারশো’র বেশি নেতাকর্মী। যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ করে রাতে ফেনীতে অবস্থান করে তারা।
শনিবার সকালে ফেনীর শহীদ মিনারে সমাবেশ করার সময় এক পর্যায়ে সমাবেশে অংশ নেয়াদের কয়েকজনের ওপর স্থানীয় কয়েকজন হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন ঢাকা থেকে লংমার্চে অংশ নেয়া সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি মাসুদ রানা।


রানা বলেন, “সমাবেশের সময় নেতাকর্মীদের সাথে এক দফা সংঘর্ষ হয় স্থানীয়দের। এরপর সমাবেশ স্থল থেকে কিছুটা দূরে গাড়িতে ওঠার সময় আমাদের বাসের ওপর হামলা চালানো হয়। প্রায় প্রত্যেকটি বাস ভাঙচুর করা হয়, অন্তত ৪০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।”
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মাসুদ রানা অভিযোগ তোলেন যে, হামলাকারীরা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত।
ফেনী থেকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাওয়ার কথা লংমার্চে অংশগ্রহণকারীদের
তবে ফেনী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদন সুশেন চন্দ্র শীল বলেন আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত কেউ নয়, বরং স্থানীয় সাধারণ মানুষই ক্ষুদ্ধ্ব হয়ে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।
শীল বলেন, “তারা যেখানে সমাবেশ করছিল তার কাছে স্থানীয় সাংসদ নিজাম হাজারির চারটি প্ল্যাকার্ড রয়েছে, যেগুলোতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। সেখানে তারা লিখে ধর্ষকদের পাহারাদার। সাধারণ মানুষই এতে ক্ষেপে উঠে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায় সমাবেশে সরকার বিরোধী ও পুলিশকে উদ্দেশ্য করে শ্লোগান দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারক লিপি দিয়ে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে শহরের মিশন হাসপাতালের সামনে পৌছলে দূর্বৃত্তরা হামলা চালায়। আদালতপাড়া সংলগ্ন নির্মান সুপার মার্কেটের সামনে পৌছলে দ্বিতীয় দফা হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন স্থানীয় সাংবাদিকও আহত হন।