তথ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নিউজ৭১অনলাইন নিউজ৭১অনলাইন প্রকাশিত: 6:28 PM , September 16, 2026 তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আন্দালিভ রহমানকে অভিনন্দন জানান।তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।আন্দালিভ রহমান বলেন, বিগত ১৭ বছরে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তবে বর্তমান সরকার সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।তথ্য প্রতিমন্ত্রী ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং এ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নাগরিকরা যাতে নিরাপদ বোধ করেন এই এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং এ সম্পর্ক ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হচ্ছে।রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, তাদের সহায়তায় স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।সাক্ষাৎকালে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে আলোচনায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয় শেয়ার জাতীয়বিষয়: