কুমিরা-গুপ্তছড়া রুটে যাত্রা শুরু করলো এম.ভি আইভি রহমান নিউজ ৭১ অনলাইন নিউজ ৭১ অনলাইন প্রকাশিত: 6:49 PM , June 19, 2021 চট্রগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মানুষের নৌ যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া নতুন জাহাজ এম.ভি আইভি রহমান কুমিরা-গুপ্তছড়া রুটে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) সকাল ৯ টায় জাহাজটি চট্রগ্রামের সদরঘাট থেকে সন্দ্বীপের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে এরপর দুপুর ১টার সময় সন্দ্বীপ থেকে যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম কুমিরা ঘাটের উদ্দেশ্য ছেড়ে যায়।গত মাসে (৬ মে) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাহাজটি উদ্বোধন করেন। বিআইডব্লিউটিসির তত্ত্বাবধায়নে জাহাজটি পরিচালিত হবে।শনিবার আনুষ্ঠানিক যাত্রার সময় উপস্থিত ছিলেন সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা, বিআইডব্লিউটিসির প্রকল্প পরিচালক এস এম মোতাহের হোসেন, প্রকৌশলী এস এম আশিকুজ্জামান, ডিজিএম কমার্স মো.খালেদ নেওয়াজ, প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ,সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান প্রমুখ।এসময় দুপুর একটায় দু’শতাধিক যাত্রী নিয়ে জাহাজটি কুমিরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।যাত্রীরা জানিয়েছেন, মাত্র ৪৫ মিনিটে এটি কুমিরা পৌঁছে। জাহাজটির অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থাকায় জাহাজ থেকে উঠা-নামায় অসুবিধা হয়নি।জানা গেছে, ৫০০ যাত্রী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন অত্যাধুনিক জাহাজটি ডাবল ইঞ্জিন, ডাবল বাটম-ব্যালাসটেং হওয়ায় উত্তাল ঢেউয়েও এটি ভ্রমণ উপযোগী। প্রতিদিন সকাল ৯টায় জাহাজটি যাত্রী নিয়ে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাট থেকে ও দুপুর একটায় এটি সীতাকুণ্ডের কুমিরা ঘাট থেকে ছেড়ে আসবে।সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা বলেন, এম.ভি আইভি রহমান জাহাজ সন্দ্বীপবাসির জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য উপহার। এই যাত্রার মধ্য দিয়ে আশা করি দ্বীপবাসীর দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।’বহুদিন ধরে সন্দ্বীপবাসী কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌ রুটে স্টিমার সার্ভিস চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলো। বর্ষা মৌসুমে ফিটনেস বিহীন নৌ যান নিয়ে পাড়ি দিতে হয় সন্দ্বীপবাসিদের।উল্লেখ্য, গত ৬ মে (বৃহস্পতিবার) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই দুটি জাহাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নতুন জাহাজটি উদ্বোধনের পর স্বস্তি ফিরে এসেছে দ্বীপের মানুষের প্রাণে মনে। আজ আনুষ্ঠানিক চলাচলের পর লাঘব হতে যাচ্ছে নিরাপদ নৌ-যান অভাব। এখন যাত্রীদের একটাই দাবি জাহাজে উঠানামা নিরাপদ হলেই দীর্ঘদিনের সংকটের অবসান ঘটবে।প্রসঙ্গত, মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় এখানকার মানুষ জীবনবাজি রেখে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে স্থানীয়রা। ফলে বিভিন্ন সময় নৌ দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় সন্দ্বীপের মানুষেরা। শেয়ার চট্টগ্রামবিষয়: