নির্বাচিত হলে এলাকায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা দখলদারিত্ব প্রশ্রয় দেওয়া হবে না___ইমদাদুল স্টাফ রিপোর্ট স্টাফ রিপোর্ট যশোর প্রকাশিত: 12:15 PM , October 18, 2026 আসন্ন বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো সীমান্ত শহর। গণসংযোগে ব্যাস্ত সময় পার করছেন মেয়র পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী, দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক ও যুবদল নেতা মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ।ধারাবাহিক প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোর থেকে দিনব্যাপী ৪নং ওয়ার্ডের (কাগজপুকুর-কাগমারী) গ্রাম, পাড়া ও মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ এবং মতবিনিময় করেছেন তিনি।৪নং ওয়ার্ডের বুক চিরে চলে যাওয়া বেনাপোল-যশোর মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকার প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় তিনি শিশু-কিশোরদেরকে মুখরোচক চকলেট বিতরণ করেন। এটি ছিল ৪নং ওয়ার্ডে তার প্রচারণার ৫ম দিন।গণসংযোগ ও মতবিনিময়কালে মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ পৌরসভার আমূল পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট কিছু অঙ্গীকার তুলে ধরেন: * তিনি স্পষ্টভাবে জানান, এলাকায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা দখলদারিত্ব প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। *গত ৩ অক্টোবর কৃতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সংবর্ধনা দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা প্রসারে যে অঙ্গীকার তিনি করেছিলেন, তা বাস্তবায়নে কাজ করবেন।*তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে শিক্ষাবান্ধব, মাদকমুক্ত ও খেলাধুলাভিত্তিক সমাজ গঠন করবেন।*ওয়ার্ডের স্বাস্থ্যসম্মত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট মেরামত এবং নাগরিক সেবা দ্রুত ও সহনীয় করে বেনাপোলকে একটি মডেল নগরীতে রূপান্তর করবেন।কাগজপুকুর-কাগমারী গ্রামে আজ সরজমিনে দেখা যায়, ইমদাদকে কাছে পেয়ে শিশু-কিশোর, মা-বোন এবং বয়োজ্যেষ্ঠরা বুকে জড়িয়ে ধরে দোয়া ও ভালোবাসা জানাচ্ছেন। ঐ এলাকার ভোটারদের ভাষ্য “অতীতে অনেকেই নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে খোঁজ রাখেননি।কিন্তু ইমদাদ ভাই কোনো চাঁদাবাজি বা অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত নন। তিনি সততা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে মানুষের দরজায় আসছেন। ঘরে ঘরে এসে যেভাবে পরম মমতায় কুশল জিজ্ঞেস করছেন, তাতে আমরা অভিভূত। একজন পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাকেই আমরা মেয়র হিসেবে দেখতে চাই।” গত তিন মাস ধরে পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপি’র অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন প্রচার চালিয়ে আসছেন তিনি।ইমদাদের নম্র আচরণ, সততা এবং সুসংগঠিত সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মাঝে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। তার দেওয়া মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও উন্নয়নমুখী প্রতিশ্রুতিতে সাধারণ মানুষ পুরোপুরি ভরসা পাচ্ছেন। বিশেষ করে শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগের কারণে সুশীল সমাজ ও অভিভাবক মহল তার ওপর আস্থা স্থাপন করেছেন।স্থানীয় বিশ্লেষক ও আমজনতার মতে, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও নাগরিক দুর্ভোগ দূর করতে ইমদাদুল হক ইমদাদই এখন যোগ্য প্রার্থী। আগামী নির্বাচনে ভোটারের বিপুল সমর্থনে তাকে জয়ী করার সুস্পষ্ট আভাস ফুটে উঠেছে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেই।৫ম দিনে ভোটারদের সাথে মতবিনিময়ে ইমদাদুল হক ইমদাদ বলেন, আজ আমি আপনাদের সামনে কোনো রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং এই বেনাপোলের মাটি ও মানুষেরই একজন সন্তান হিসেবে হাত জোর করে দাঁড়িয়েছি। এই বেনাপোল আমার জন্মস্থান, আমার শৈশব-কৈশোর ও জীবনের প্রতিটি স্মৃতির ঠিকানা।এখানকার বাতাস, এখানকার রাস্তাঘাট, এখানকার প্রতিটা মানুষের সুখ-দুঃখ আমার অস্তিত্বের সাথে জড়িয়ে আছে। বিগত ৩টি মাস ধরে আমি পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের প্রতিটি গ্রামে, পাড়ায়, গলিতে আপনাদের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি।আপনারা যেভাবে আমাকে কাছে টেনে নিয়েছেন, মা-বোনেরা যেভাবে স্নেহের হাত মাথায় রেখেছেন, বয়োজ্যেষ্ঠরা বুকে জড়িয়ে ধরে দোয়া করেছেন—এই পরম ভালোবাসা ও স্নেহ আমি সারাজীবনেও শোধ করতে পারব না। আপনাদের এই আবেগ ও বিশ্বাসের মূল্য দিতে আমি আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও চেষ্টা করে যাব।আমি কোনো বিশাল ক্ষমতার লোভ বা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নির্বাচনে আসি নাই। আমি চাই আমাদের সন্তানরা যেন সন্ত্রাস, ভয়ভীতি, চাঁদাবাজি আর মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ সমাজে বড় হতে পারে। আমি চাই আমাদের মা-বোনেরা যেন নিরাপদে চলাফেলা করতে পারেন এবং আমার প্রতিটি এলাকার মানুষ যেন তাদের ন্যায্য নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ও সম্মানটুকু পান।আজ আপনাদের কাছে আমার একটাই আকুল আবেদন—আপনারা যে বিশ্বাস আমার প্রতি দেখিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে সেবা করার একটি সুযোগ দিন।আমি কথা দিচ্ছি, আমি নির্বাচিত হলে বেনাপোল পৌরসভার মেয়র হব না, আমি হব আপনাদের সুখ-দুঃখের সার্বক্ষণিক সেবক ও বিশ্বস্ত পাহাদার।বেনাপোলকে একটি উন্নত, শান্তিময় ও মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের সর্বাত্মক দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন চাই। শেয়ার বাংলাদেশবিষয়: