পাইকগাছায় শেষ মুহূর্তে ব্যস্ততার সাথে চলছে প্রতিমা তৈরীর কাজ মিলন দাশ মিলন দাশ পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: 3:29 PM , October 14, 2026 সমস্ত বিপদ-আপদ ও দূর্গতী নাশ করেন যিনি তিনিই দুর্গতীনাশিনী, তিনিই হচ্ছেন দেবী দুর্গা। আর সেই দেবী দুর্গা প্রতি বছর একবার শরতের শুরুতেই ব্যাপক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে ধরণীতে আসেন। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে কপিলমুনি এলাকার বিভিন্ন পূজা মন্ডপে অত্যন্ত ব্যস্ততার সাথে চলছে প্রতিমা প্রস্তুতে কাজ। প্রতিমা ভাস্করদের নিপুন হাতের ছোঁয়ায় প্রতিটি বিগ্রহ দেবতার রুপ পাচ্ছে। মন্ডপগুলো যেন ভাস্করদের সাধনাস্থলে রুপ নিয়েছে।সরেজমিনে মন্ডপগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি মন্ডপেই প্রতিমা শিল্পীরা দুর্গা প্রতিমা তৈরী ও মন্দির সাজানো কাজ করে চলেছেন। উপজেলার উল্লেখযোগ্য মন্ডপগুলোর মধ্যে রয়েছে কপিলমুনির মিলন মন্দির (কালীবাড়ী) পূজা মন্ডপ, নাছিরপুর মিতালী যুব সংঘ (সিংহবাড়ী) পূজা মন্ডপ, কপিলমুনি পূর্বপাড়া হরিসভা পূজা মন্ডপ, কাশিমনগর সার্বজনীন পূজা মন্ডপ, কাশিমনগর সাধুপাড়া পূজা মন্ডপ, কাশিমনগর দাসপাড়া পূজা মন্ডপ, নাবা পূজা মন্ডপ, গোয়ালবাথান পূজা মন্ডপ, চিনেমলা পূজা মন্ডপ, হাউলী সার্বজনীন পূজা মন্ডপ, নাবা হরিতলা পূজা মন্ডপ, আগরা পূজা মন্ডপ, কাশিমনগর হরিসভা পূজা মন্ডপ, নাছিরপুর বাবুলাল হালদার পূজা মন্ডপ, মামুদকাটী পূজা মন্ডপ, হরিদাশকাটী পূজা মন্ডপ, নোয়াকাটী পূজা মন্ডপ, হরিঢালী পোদ্দারপাড়া পূজা মন্ডপ, রামনাথপুর পূজা মন্ডপ।পূজা উদ্যাপন পরিষদ জানিয়েছে, এবছর পাইকগাছা উপজেলায় ১৫১টি মন্ডপে পূজা উদ্যাপিত হতে যাচ্ছে, তার মধ্যে কপিলমুনি ১৮ ও হরিঢালী ইউনিয়নে ১৭টি পূজা মন্ডপে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় ষষ্ঠী পূজা’র মধ্যদিয়ে দূর্গতীনাশিনী দেবী দুর্গা’র পূজার মধ্যদিয়ে সূচনা ঘটবে, আর ২১ অক্টোবর বুধবার সকাল ৯ টায় বিজয় দশমীর মধ্যদিয়ে পূজার সমাপ্তী ঘটবে।খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি শ্রী চম্পক কুমার পাল বলেন, ‘প্রশাসনসহ সর্বস্তরের নের্তৃবৃন্দের সহযোগিতায় বিগত বছরের ন্যায় এবারের পূজাও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আমি আশাবাদী। স্ব-স্ব পূজা মন্ডপে মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দকে কড়া নজরদারী রাখতে বলেছি’। দুর্গোৎসব সফল করতে আমি এলাকাবাসীর সহযোগীতা চাই।কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, আনছার ও গ্রামপুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। বর্তমানে আমরা পুলিশের টহল অব্যাহত রেখেছি। প্রতিটা পূজা মন্ডপে স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবে, পূজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তা জোরদার রাখবো । শেয়ার সারা দেশবিষয়: