দেশের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি নিউজ ৭১ অনলাইন নিউজ ৭১ অনলাইন প্রকাশিত: 2:41 PM , July 22, 2020 দেশের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সেতু ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অনেকে এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙ্গন। হুমকির মুখে রয়েছে বহু স্থাপনা। এদিকে চরম দুর্ভোগে বানভাসী মানুষ। একুশে টেলিভিশনের প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্ট পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-ফরিদপুরে বন্যা পরিস্থিতির তীব্র অবনতি হয়েছে। বেড়েছে নদনদীর পানি। আলফাডাঙ্গার আজমপুর ও চরডাঙ্গা গ্রামে মধুমতি নদীর ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করেছে। প্রতিদিনিই ভাঙ্গছে নদীর পাড়।এরই মধ্যে বাড়ি-ঘর, গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া গোপালপুর হতে চরডাঙ্গা গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র পাকা সড়কটির ৬০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন। অর্ধাহারে-অনাহারে দিন যাপন করছে মানুষ।হুমকির মুখে প্রাথমিক স্কুল, মসজিদ, দোকান-পাটসহ অসংখ্য বাড়ি-ঘর। জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।টাঙ্গাইলের ৮ উপজেলার তিন শতাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত। তলিয়ে গেছে বাড়ি-ঘর, স্কুল-কলেজ ও আবাদী জমি। পানির তোড়ে ধ্বসে গেছে ঝিনাই নদীর ব্রজ। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।শরীয়তপুর সদরসহ নড়িয়া, জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ২ শতাধিক গ্রামের ২ লাক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দী। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও গবাদি পশুর খাদ্য সংকট।সুনামগঞ্জের সদর, ছাতক, দোয়ারাবাজার, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর জামালগঞ্জসহ ৬টি উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।গাইবান্ধায় ঘরবাড়ি থেকে পানি নামেনি। তিস্তা যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি এখনো বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ।কুড়িগ্রামের কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। ৯ উপজেলার ৩ লাখ মানুষ এখনো পানি বন্দি। নষ্ট হয়ে গেছে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল। শেয়ার বাংলাদেশবিষয়: