মুসলমানের ঈমানি শক্তি যে কত বড় সেটার প্রমাণ পাওয়া গেল

প্রকাশিত: ৬:২৩ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ২২, ২০২২

পর্দা উঠছে কাতার ফুটবল বিশ্বকাপের। শুরু হয়ে গেছে মাঠের লড়াই। সবাই নিজের প্রিয় দলকে নিয়ে তর্কযুদ্ধে মেতে ওঠেছেন। বিশ্বকাপের উন্মাদনা ছুঁয়ে গেছে শোবিজ অঙ্গনেও। ফুটবলপ্রেমী তারকারা পছন্দের দলের জার্সি পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। আর্জেন্টিনার সমর্থক এবং তার প্রত্যাশা আর্জেন্টিনাই শিরোপা জিতবে। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি গায়েও ফেসবুকে ছবি পোস্ট করেছেন তিনি।

তবে এসবের মাঝেই ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ভিন্ন এক কারণে বেশ আনন্দিত হয়েছেন। তার আনন্দের কারণ, কাতার বিশ্বকাপে ছোট পোশাক পরে যাওয়া যাবে না, জড়িয়ে ধরা যাবে না। এক ফেসবুক পোস্টে এমনটাই জানালেন অভিনেতা সিদ্দিক।

তিনি ফেসবুক পোস্টে শুরুতেই লেখেন, আজ থেকে শুরু হলো ২০২২ কাতারের বিশ্বকাপ ফুটবল। আমি খুবই আনন্দিত যে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর বসেছে কাতারে। কাতার প্রায় ১০০ ভাগ মুসলিম একটি দেশ। প্রতিটি মুসলমান ঈমান নিয়ে বসবাস করে এই দেশে, তারা যে সত্যিকারের খাঁটি মুসলিম সেটা প্রকাশ করল এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে বিভিন্ন রকমের নিয়ম বেঁধে দিয়ে। ইসলাম ধর্ম যে শান্তির ধর্ম এটা প্রমাণ হলো আবারও।
অভিনেতা সিদ্দিক বলেন, ইসলাম ধর্ম অনুসারে যে সমস্ত জিনিসের প্রতি আমাদের বাধা রয়েছে, আল্লাহ পাক যে সমস্ত বিষয় থেকে আমাদেরকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন, সেই সমস্ত জিনিসগুলোকে মানা করে দিয়েছে এই বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে। একজন মুসলিম হিসেবে বলতে চাই, মুসলমানের ঈমানি শক্তি যে কত বড় সেটা প্রমাণ পেল এবার ফুটবল বিশ্বকাপে।

শেষে বললেন, সারা পৃথিবী থেকে আগত বিভিন্ন ধর্মের লোকরা এই বিশ্ব আসর থেকে অনুভব করবে মুসলমান ইসলামের জীবন যাপন করে আল্লাহ পাকের অনুশাসনকে মেনে। আমি মনে করি, এই সমস্ত নিয়মের পক্ষে মুসলিম হিসেবে আপনিও। সারা বিশ্বে মুসলমানদের জয় হোক, আল্লাহ পাক সবাইকে হেদায়েত করুন। ২০২২-এর ফুটবল বিশ্বকাপের কাতার আসর সফল হোক।

উল্লেখ্য, কাতারে চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের সময় করা যাবেনা মদ্যপান, স্বামী-স্ত্রী ব্যতীত কেউ যুগলভাবে বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড হিসেবে অবস্থান করতে পারবেনা, ফুটবল মাঠে ছোট ছোট কাপড় পরে যাওয়াও নিষেধ, আনন্দ-উল্লাসে একজন পুরুষ নারীকে অশ্লীলভাবে জড়িয়ে ধরা থেকে বিরত থাকাসহ নানা রকমের বাধা-নিষেধের আইন মেনে চলতে বলা হয়েছে। যা না মানলেই দিতে হবে জরিমানা, এমনকি ফাঁসিও হতে পারে।