গণমানুষের আবেগ ও অনুভূতির ঠিকানা আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত: ১:৫৯ অপরাহ্ণ , জুলাই ৮, ২০২০

খাজা খায়ের সুজন

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। নতুন এই দলের নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি, আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খানকে সহ-সভাপতি, শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিব (তখন কারাবন্দি), খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম সম্পাদক এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে গঠিত হয় আওয়ামীলীগ। ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবরের তৃতীয় কাউন্সিল সভায় ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হিসেবে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেয়া হয়। [সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অন্যতম। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে আওয়ামী লীগ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই দল মানুষের প্রয়োজনে কাজ করে যাচ্ছে এমনকি বলা যায় আওয়ামীলীগের জন্ম হয়েছে এই মানুষের প্রয়োজনে। এই দলটি সময়ের প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁদের ঐতিহ্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হয়েছিলেন শেখ মুজিব এই দলটি কে নেতৃত্ব দিয়ে। এই দেশের মহান স্বাধীনতা অর্জন হয়েছিল এই দলটির নেতৃত্বে। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মম ও জগন্যতম হত্যাকান্ডের মাধ্যমে জাতির পিতা সহ তাঁর পরিবারের সবাই কে হত্যার মাধ্যমে এই দেশ থেকে আওয়ামীলীগ তথা জাতির পিতার অস্তিত্ব বিলীন করে দিতে চেয়েছিল। সেদিন সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলেন জাতির পিতা দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

১৯৮১ সালের ১৭ই মে অনেক কাটখড় পুড়িয়ে দেশে ফিরে আসেন জাতির জনকের কন্যা তাঁর পবিত্র আমানত দেশরত্ন শেখ হাসিনা। অবশ্য দেশে ফিরে আসার পূর্বে ১৯৮১ সালের ১৪-১৫-১৬ ফেব্রুয়ারী দলের কাউন্সিল অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তারপর থেকে আজ অবধি দলটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন শেখ হাসিনা। সেই অন্ন চাই, পোষাক চাই, গণতন্ত্র চাই যার মূল কথা ছিল মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার চাই। সেই চরম দরিদ্য কবলিত দেশকে আজ তিনি রুপান্তর করেছেন নিম্ন মধ্যম অয়ের দেশে। এ দেশে প্রতিষ্ঠা করেছেন মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার। একটানা তিনবার সহ মোট চার বার এই দেশের নেত্রীত্ব দিয়ে যাচ্ছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। আওয়ামীলীগ কে ফিরিয়ে এনেছেন তাঁর মূল ঐতিহ্যে । আজ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পরিণত হয়েছে এই দেশের গণমানুষের দলে।

এখানে সম্প্রতিকালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কিছু ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করব। কেননা এই দলটির ইতিহাস ও ঐতিহ্য সকলের জানা। এই দলের অতীতের ভূমিকা সেই ১৯৪৯ সাল থেকে তাও আমাদের সকলের জানা। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বুদ্ধিজীবী নাকি অনুভূতির আওয়ামীলীগ কে খুঁজে পাচ্ছেন না। আমি বলবো আওয়ামীলীগ এই দেশের দুর্যোগে গণমানুষের অনুভূতির আরো গভীরে গিয়ে নাড়া দেয়। এই দেশে যত কঠিন ও বিপদজনক পরিস্থিতি আসে আওয়ামীলীগ ততই আরো বেশি অপরিহার্য হয়ে উঠে। সেটি বর্তমানে হয় দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেত্রীত্ব গুণে আওয়ামীলীগের নিবেদিত কর্মীদের ত্যাগের বিনিময়ে। আবদুল গাফফার চৌধুরীর ভাষায়, ‘আওয়ামীলীগ একটি খুঁটির জোরে বেঁচে যায়। এই খুঁটিটি হলো তার জন্মসূত্রে পাওয়া সংগ্রামের নীতি।‘

১৯৪৯ সালে এই দলের জন্মলাভের মধ্য দিয়েই রোপিত হয়েছিল বাঙালীর হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ। জন্মলগ্ন থেকেই দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি এই দলের নেতাকর্মীদের অঙ্গীকার ও ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয় পাকিস্তানী ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙালী জাতির গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামের ইতিহাস। জনগণের অকুণ্ঠ ভালবাসা ও সমর্থন নিয়েই এই দলটি বিকশিত হয়। আওয়ামী লীগ মানেই সংগ্রামী মানুষের প্রতিচ্ছবি। উপমহাদেশের রাজনীতিতে গত ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজেদের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে আওয়ামীলীগ।

আজ সারাবিশ্ব ভুগছে অতিমহামারী তথা কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস। যার প্রকোপে আজ সারাবিশ্ব পরিস্থিতি চিন্নভিন্ন। যে কোনা ধরনের দুর্যোগে এই দলের নেতাকর্মীদের ত্যাগ এই দলটিকে এই বাংলাদেশে আরো অপরিহার্য করে তোলে। সেটি বারবার প্রমাণ হয়েছে। কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাসের কারণে সারাবিশ্বে ইতিমধ্যে ৯০ লক্ষ ৬ হাজার ৭৫৭ জন আক্রান্ত হয়েছে এবং ৪ লক্ষ ৬৯ হাজার ২২০ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। [সূত্রঃ জন হফকিন্স ইউনিভার্সিটি] বাংলাদেশে ও ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৭৮৬ জন আক্রান্ত হয়েছে এবং ১৫ শত দুই জন মৃত্যু বরণ করেছেন। [সূত্রঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর] ২২ জুন ২০২০ পর্যন্ত।

বাংলাদেশে ও এই অতিমারী খুব ভয়াবহরূপে আঘাত হেনেছে। করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ বাংলাদেশে প্রথম সনাক্ত হয় এই বছরের ০৮ মার্চ । যখন সারা বাংলাদেশ আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের সবধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে। ১৭ ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন কে সামনে রেখে আমাদের সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল বলা যায়। কিন্তু ০৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাস সনাক্ত হওয়ার সাথে সাথে জাতির জনকের কন্যা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সব ধরণের কর্মসূচি স্থগিত করেন। সে থেকে এখনো চলছে এক ভয়াবহ অদৃশ্য ভাইরাসের সাথে আমাদের যুদ্ধ। দেশরত্ন শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন মানুষের কল্যাণে।

দুর্যোগে, দুর্বিপাকে মানুষের কল্যাণে সবার পাশে আওয়ামীলীগ। দুর্যোগের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, এটি আওয়ামীলীগের ঐতিহাসিক চরিত্র। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এই দলটির যে কোন সময়ে নিজেদের কে মানুষের কল্যাণে উজাড় করে দিয়েছে। যেমনটি করেছে ১৯৭০ এর ঘূর্ণিঝড়ে, যার ভয়াবহ তান্ডবে ৫ লাখ মানুষ নিহত হয়েছিল, ১৯৮৫ সালের ঘূর্ণিঝড়, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় যার তান্ডবে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়, ২০০৭ সালের সিডর, ২০০৯ সালের আইলা এবং সম্প্রতি করোনার মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় আম্পান। এইসকলে দুর্যোগে আওয়ামীলীগ ও এই দলের নেতাকর্মীদের ভূমিকা ছিল অনন্য।

দেশরত্ন শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তিনি তাঁর পিতার আদর্শ কে সমুন্নত রেখে কাজ করে যাচ্ছেন । দেশের যেকোন ক্রান্তিলগ্নে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ান মায়ের পরম মমতা নিয়ে। জেল, জুলুম ও নির্যাতন তাঁকে সরাতে পারে নি মানুষের সেবা থেকে। কখনো ভুলেনি এই দেশের মানুষের কথা। সর্বশেষ ২০০৭ সালে তিনি যখন তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকারের মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাবন্দী হন তখন এই বাংলাদেশে দুইটি ভয়াবহ দুর্যোগ আসে। জেলখানায় বসে ও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তিনি জেলখানায় থাকাবস্থায় ২০০৭ সালের আগস্ট মাসের শুরুর দিকে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করলে গভীর উদ্বেগ এবং দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এবারের বন্যা ৯৮ এর চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারের একার পক্ষে এ পরিস্থিতি মোকাবেলা সম্ভব নয়। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে দিতে হবে। নইলে বন্যা সামাল দেয়া কষ্টকর হবে।“ [সূত্র: বেবী মওদুদ সম্পাদিত, নিঃসঙ্গ কারাগারে শেখ হাসিনার ৩৩১ দিন। পাতা-৬৫] একই বছরে দেশে ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানলে তিনি জেলখানা থেকে বলেন, ‘দেশে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দলমত নির্বিশেষে সবাইকে অসহায় মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান। বন্দি থাকায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে না পারায় তিনি ব্যথিত।’

এখন পর্যন্ত করোনার ভয়াবহতা দিনদিন তীব্র আকার ধারণ করতেছে। এটি মোকাবেলা করার জন্য দেশরত্ন শেখ হাসিনা দিনারাত প্ররিশ্রম করছেন। এই করোনা কালীন সময়ে কিভাবে আমাদের অর্থনীতিকে সচল রাখা যায় সেপন্থা অবলম্বন করতেছেন। দেশের মানুষ যাতে না খেয়ে থাকতে হয় সে ব্যবস্থা করতেছেন এবং সে অনুযায়ী সবধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তাঁর এই কর্মপন্থা মূলত সফল করতে কাজ করে যাচ্ছেন আওয়ামিলীগ এর অঙ্গ সহযোগী সংঘঠনের সকল স্তরের নিবেদিত নেতাকর্মীবৃন্দ ।

এই মহামারিতে যখন সবাই সামাজিক দূরত্ব বজায় ও জনসমাগম এড়িয়ে চলছেন তখন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে মানুষের জন্য। মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পোঁছে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এটি করতে গিয়ে অনেকে জীবনের মায়াকেও তুচ্ছ জ্ঞান করতেছেন। যার জন্য অনেক কে এই করোনার কারণে জীবন ও দিতে হচ্ছে অনেক কে । যেমন সম্প্রতি এই করোনায় প্রয়াত হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রসিডিয়াম মন্ডলীর সদস্য জাতীয় চার নেতার অন্যতম ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম। দেখা যায় তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দুই তিন দিন পূর্বে ও এলাকায় কাজ করেছেন মানুষের জন্য। সদ্য প্রয়াত হয়েছেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সিলেটের সাবেক মেয়র বদরুদ্দিন আহমেদ কামরান । তিনি আক্রান্ত হওয়ার এক সপ্তাহ আগে তাঁর বাড়ীর সামনে নিজ হাতে আসহায় হত-দরিদ্র মানুষ কে ত্রাণ বিতরণ করেছেন । সদ্য প্রয়াত হয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ । যিনি প্রত্যক্ষ্যভাবে কাজ করে যাচ্ছেলেন এই দুর্যোগে মানুষের জন্য। এছাড়া ও সারা দেশে আরো অসংখ্য নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন এই ভয়াবহ করোনায়। যেটি আওয়ামীলীগের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলা যায়। এই ত্যাগগুলো আওয়ামীলীগ কে ৭১ বছরে আরো বেশি অপরিহার্য করে তুলেছে বাংলাদেশে।

ইতিমধ্যে এই ভয়াবহ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আওয়ামীলীগের অনেক মন্ত্রী, এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা। সারাদেশের আরো অসংখ্য নেতাকর্মী। যারা এই বিপদের মুহূর্তে ঘরে বসে থাকেন নি। দেশরত্ন শেখ হাসিনার এক আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজেদের জীবনের বিনিময়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ কে বাঁচাতে। বর্তমানে এই শিক্ষাটি দলীয় নেতাকর্মীদের দিয়েছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। সেটি হচ্ছে এই বাজেট অধিবেশনের সময়ে ১৪ জুন, ২০২০ তিনি সংসদে বলেন, ‘আজ (রবিবার, ১৪ জুন) আমি সংসদে আসবো। কিন্তু অনেক জায়গা থেকে আমাকে সংসদে আসতে নিষেধ করা হয়েছিল। ভীষণভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, না না আপনি যাবেন না, নেত্রী যাবেন না। তা আমি বললাম হুমকি, বোমা, গ্রেনেড কত কিছুই তো মোকাবিলা করে করে এ পর্যন্ত এসেছি। এখন কী একটা অদৃশ্য শক্তির ভয়ে ভীত হয়ে থাকবো।’

এই হচ্ছে শেখ হাসিনার শিক্ষা, এটি হচ্ছে নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর মেসেজ। বলাযায় এইভাবেই কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামীলীগ সারাদেশে।

আওয়ামীলীগ যখন এই ৭১ বছর আমরা পার করছে তখন কোন জনসমাগম এর কর্মসূচি নেই। আমরা পার করছি মুজিব বর্ষ। আমাদের জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ । করোনার মহামারি শেষ হলে মুজিব শতবর্ষের অনুষ্ঠানগুলো আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে। আজ যে দুর্যোগ আমরা মোকাবেলা করছি তা থেকে যেন অতি তাড়াতাড়ি আমরা পরিত্রান পেয়ে পাই।

এই ৭১ বছর বয়সে আজ আওয়ামীলীগ একটি পরিণত দল। যেটি আজ এই বাংলার মানুষের মিলন, বিরহ, আবেগ-অনুভূতির শ্রেষ্ঠ ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। এটি আজ অপরিহার্য একটি দল হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশর জন্য। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই শুভ ক্ষণে আরো অনেক অনেক সফলতাই প্রত্যাশা করছি।

লেখক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা

(লেখাটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট থেকে নেয়া)