‘বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকে সরকার উৎসাহিত করছে’

প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ণ , মে ১৭, ২০২২

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকে সরকার উৎসাহিত করছে।
বেসরকারি খাতের জন্য পলিসি গাইডের খসড়া তৈরী করা হয়েছে; যার মাধ্যমে ন্যাশনাল গ্রীড বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহার করা যাবে। বিনিয়োগে নিরাপত্তাসহ ১৫ বছরের ট্যাক্স ওয়েবার, আমদানি শুল্কে রেয়াতসহ নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে। স্রেডা নবায়ণযোগ্য জ্বালানির প্রসারে লজিস্টিক ও কারিগরি সহযোগিতা করছে।

প্রতিমন্ত্রী, আজ Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP) ও Sustainable Energy for All কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত Asia Pacific Ministerial Roundtable-এ ‘Progress and Opportunities for attracting Private Investment over the next Five Years for their National Energy Transitor’ সেশনে বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করায় গত দশকে বিদ্যুৎ খাতে ১২ বিলিয়ন বিনিয়োগ হয়েছে এবং আগামী ১২ বছরে ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি খাত হতে ৪৪% আসছে। চলমান আটটি নবায়ণযোগ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টিই বেসরকারি খাতের।

নবায়ণযোগ্য জ্বালানি নিয়ে বেসরকারি খাতের ১০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি করা হয়েছে। ‘ন্যাশনাল সোলার এনার্জি রোডম্যাপ ২০২১-২০৪১’ খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

মুজিব ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান এবং ইন্টিগ্রেটেড এনার্জি এন্ড পাওয়ার মাস্টার প্ল্যান এর আওতায় ক্লীন এনার্জিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন উৎসে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২৯টি কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অফসোর উইন্ড, গ্রীণ হাইড্রোজেন, ভাসমান সোলার, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, সোলার রূপটপ ইত্যাদি খাতে বিনিয়োগ নবায়ণযোগ্য জ্বালানির প্রসারে নতুনমাত্রা যোগ করবে।

নবায়ণযোগ্য জ্বালানির বৃদ্ধি, জ্বালানি দক্ষতা, জ্বালানি সংরক্ষণ ও পরিবহণ খাতে মুজিব ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যানে ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা প্রাক্কলন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে Sustainable Energy for All-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডামিলুলা ওগুসবিয়ি,UN ESCAP-এর নির্বাহী সচিব আরমিদা সালসিয়াহ আসিজাবানা, ভারতের বিদ্যুৎ, নতুন ও নবায়ণযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রী রাজ কুমার সিং, ইন্দোনেশিয়ার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী আরিফিন তাসরিফ, নেপালের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. সুরেন্দ্র লাব কর্ণ, ফিজির জ্বালানি বিষয়ক পরিচালক মিকেলি বেলেনা সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন।