সুনামগঞ্জের সঙ্গে ৪ উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত: ১:৩৭ অপরাহ্ণ , মে ১৬, ২০২২

সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি। সড়ক ডুবে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ সদরের সঙ্গে ৪ উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সিলেটের কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়কও তলিয়ে গেছে। এদিকে আরো একদিন ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সিলেটে উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি। কানাইঘাটে সুরমা, জকিগঞ্জের অমলসীদে সুরমা ও জৈন্তাপুরে সারি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কানাইঘাট ও জকিগঞ্জে সুরমার ডাইক ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কানাইঘাট সদরের নিচু এলাকায়ও পানি ঢুকেছে। অপরিবর্তিত রয়েছে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি।

এখনো সীমান্তবর্তী তিন উপজেলায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে রয়েছে।

জেলার সারি, গোয়াইন, পিয়াইন ও ধলাই নদীর পানিও বিপত্সীমা অতিক্রম করেছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস তেকে জানানো হয়েছে আরও একদিন ভারি বৃষ্টি হতে পারে।

পাউবো কর্মকর্তারা জানান, ভারতের মেঘালয়, ত্রিপুরা ও আসাম প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদনদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

ঢল ও বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়ে পড়েছে গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট এলাকার নিম্নাঞ্চল। এ তিন উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট এবং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এ উপজেলায় ফসলি জমিও তলিয়ে গেছে।

ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জের ৪ উপজেলার সড়ক ডুবে যাওয়ায় জেলা সদরের সঙ্গে দোয়ারাবাজার, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুরের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

মিনাজুরি, ভাদেরটেক, লামাপাড়া, চালবন, রামপুর, ঝিনারপুর, মাঝেরটেকসহ ১০ গ্রামে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করছে।

বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছে পাউবো।