পায়রা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৫:১৭ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ২৩, ২০২১

উন্নয়নের মহাসড়কে যুক্ত হচ্ছে আরেকটি মাইলফলক। পটুয়াখালীতে দেশের চতুর্থতম দীর্ঘ পায়রা সেতু যানচলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে আগামীকাল রোববার। সেতুটি চালু হলে বরিশাল, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের সাথে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়ক পথ হবে ফেরিবিহীন। সেতুটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পায়রা নদীর বুকে চার লেনের লেবুখালী পায়রা সেতু। পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কের লেবুখালী পয়েন্টে সেতুটি নির্মাণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পায় ২০১২ সালে। নকশা জটিলতায় দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকলেও নির্মাণযজ্ঞ শেষ করে এখন যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত এই সেতু।

দ্বিতীয় কর্ণফুলি সেতুর আদলে করা প্রায় দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে ও ২০ মিটার প্রস্থের সেতুর মাঝ বরাবর একটি মাত্র পিলার বসানোর ফলে নদীর গতিপথ থাকবে সচল। দুই পাড়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক ও আধুনিক টোলপ্লাজা রয়েছে।

সেতুটি চালু হলে এর কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা তা নির্ণয়ের রয়েছে ব্রীজ হেলথ মনিটরিং সিস্টেম। সেতুটির জন্য প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।

এলাকাবাসীরা জানান, কুয়াকাটা যেতে অনেক টাইম লাগতো কিন্তু তা আর লাগছে না। পটুয়াখালীতে বরিশাল যেতে লাগে ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা ব্রিজ ছেড়ে দিলে লাগবে এক ঘণ্টা ১০ মিনিট। সেতুটি হওয়ায় আমরা দক্ষিণবঙ্গের মানুষ অনেক খুশি।

এই সেতু চালু হলে কুয়াকাটাকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

পায়রা সেতুর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হালিম বলেন, “২৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী ভাচ্যুয়ালি সংযুক্ত হয়ে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করবেন। দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন লেবুখালীতে ফেরিবিহীন যান চলাচল, সেই ফেরিবিহীন যোগাযোগ স্থাপিত হবে।”

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, কুয়াকাটার যে পর্যটন সেটি বিকশিত হবে। পাশাপাশি পায়রা পোর্টের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

এক হাজার চারশ’ সাত চল্লিশ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করে চীনের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান লংজিয়ান রোড এন্ড ব্রীজ কোম্পানি।