মেঘনার ভাংগনে ছোট হয়ে আসছে রূপালী দ্বীপ মনপুরা

প্রকাশিত: ১:১৮ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ২১, ২০২১

উপকূলীয় জেলা ভোলার ‘মনপুরা’ মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনে ক্রমশ: ছোট হয়ে আসছে। এভাবে মেঘনার আগ্রাসন চলতে থাকলে একসময় হারিয়ে যেতে পারে পর্যটন স্পট মনপুরারার মানচিত্র।

সরেজমিন দেখা যায়, মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনের ফলে ছোট হয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রূপালী দ্বীপ মনপুরার মানচিত্র। প্রতিদিন অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাচেছ জনপদ। ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত দ্বীপ উপজেলাটি মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনে ছোট হয়ে যাচেছ। ভোলা জেলার মুল ভুখন্ড থেকে বিছিন্ন চারপাশে মেঘনা নদী দ্বারা বেষ্টিত সবুজ সমোরহে ঘেরা মনপুরা দেড় লক্ষাধিক লোকের বসবাস। প্রতিদিন রাক্ষসী মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনে বসত ভিটা ফসলি জমি হারিয়ে মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। হাজার হাজার একর ফসলী জমি আজ নদীর গর্ভে বিলীন। ভাঙ্গন কবলিত এলাকার সাধারন মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে নতুন জেগে উঠা চর কিংবা বেড়ীর ডালে। মেঘনার ভাঙ্গন থেকে মনপুরাকে রক্ষা করতে হলে চারিদিক ব্লক বা ড্যামপিং ব্যাবস্থা করে স্থায়ীভাবে ভাবে ভাঙ্গন রোধের উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনকে।

মেঘনার ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি ইতোমধ্যে তার একান্ত প্রচেষ্টায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ভোলা জেলার মুজিব নগর ও মনপুরা উপজেলা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ পুর্নবাসন নিস্কাশন ব্যাবস্থার উন্নয়ন ও তীর সংরক্ষন ”নামে ১১৯৩ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরি করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রেরন করা হয়েছে। প্রকল্পটি এখন অনুমোদনের অপেক্ষায়। প্রকল্পটি অনুমোদন হলেই মনপুরা নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। প্রকল্পটি দেখার জন্য সরজমিনে ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শনে ২৩ অক্টোবর শনিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ মান্নান সরেজমিন পরিদর্শনে আসার কথা রয়েছে। মন্ত্রীর কাছে মনপুরার মানুষের প্রাণের দাবী মনপুরাকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার জন্য নদীর তীর সংরক্ষন প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন দিয়ে মেঘনার হাত থেকে দেড় লক্ষাধিক মানুষের জীবন বাঁচানো। মনপুরাবাসী বলেন, ‘আর কোন দাবী নাই মেঘনার ভাঙ্গন থেকে মনপুরাকে রক্ষা চাই।

সরেজমিন দেখা যায়, মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনের ফলে ছোট হয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রূপালী দ্বীপ মনপুরার মানচিত্র। প্রতিদিন অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাচেছ জনপদ। ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত দ্বীপ উপজেলাটি মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনে ছোট হয়ে যাচেছ। ভোলা জেলার মুল ভুখন্ড থেকে বিছিন্ন চারপাশে মেঘনা নদী দ্বারা বেষ্টিত সবুজ সমোরহে ঘেরা মনপুরা দেড় লক্ষাধিক লোকের বসবাস। প্রতিদিন রাক্ষসী মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনে বসত ভিটা ফসলি জমি হারিয়ে মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। হাজার হাজার একর ফসলী জমি আজ নদীর গর্ভে বিলীন। ভাঙ্গন কবলিত এলাকার সাধারন মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে নতুন জেগে উঠা চর কিংবা বেড়ীর ডালে। মেঘনার ভাঙ্গন থেকে মনপুরাকে রক্ষা করতে হলে চারিদিক ব্লক বা ড্যামপিং ব্যাবস্থা করে স্থায়ীভাবে ভাবে ভাঙ্গন রোধের উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনকে।

মেঘনার ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি ইতোমধ্যে তার একান্ত প্রচেষ্টায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ভোলা জেলার মুজিব নগর ও মনপুরা উপজেলা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ পুর্নবাসন নিস্কাশন ব্যাবস্থার উন্নয়ন ও তীর সংরক্ষন ”নামে ১১৯৩ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরি করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রেরন করা হয়েছে। প্রকল্পটি এখন অনুমোদনের অপেক্ষায়। প্রকল্পটি অনুমোদন হলেই মনপুরা নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। প্রকল্পটি দেখার জন্য সরজমিনে ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শনে ২৩ অক্টোবর শনিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ মান্নান সরেজমিন পরিদর্শনে আসার কথা রয়েছে। মন্ত্রীর কাছে মনপুরার মানুষের প্রাণের দাবী মনপুরাকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার জন্য নদীর তীর সংরক্ষন প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন দিয়ে মেঘনার হাত থেকে দেড় লক্ষাধিক মানুষের জীবন বাঁচানো। মনপুরাবাসী বলেন, ‘আর কোন দাবী নাই মেঘনার ভাঙ্গন থেকে মনপুরাকে রক্ষা চাই।’