এ মাসেই আরও ১৪ লাখ টিকা পাঠাতে চায় জাপান

প্রকাশিত: ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ , আগস্ট ৪, ২০২১
ফাইল ছবি

বাংলাদেশকে কোভ্যাক্স কর্মসূচি আওতায় জাপান ৩০ লাখ টিকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। ইতিমধ্যে তিন দফায়  জাপান থেকে ১৬ লাখের বেশি টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি ১৪ লাখ টিকা এ মাসেই পাঠাতে চায় তারা।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) বিকালে ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে টিকার তৃতীয় চালান ঢাকায় পৌঁছালে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে মোট ৩০ লাখ ডোজ টিকা দেব। আমরা মন দিয়ে চেষ্টা করছি, যাতে বাকিগুলো এ মাসের মধ্যে পৌঁছাতে পারি।’

গতকাল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ ডোজ জাপান থেকে দেশে আসে। তা স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মজিবুল হকের কাছে আনুষ্ঠানিভাবে হস্তান্তর করেন জাপান রাষ্ট্রদূত।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। এই সঙ্কটের মধ্যে জাপান থেকে তিন দফায় ১৬ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি টিকা পেল বাংলাদেশ।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে গণটিকাদান শুরু হয়েছিল। সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে টিকার ৩ কোটি ডোজ কেনার চুক্তি করেছিল সরকার। কিন্তু ৭০ লাখ ডোজ আসার পর ভারত রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলে আর চালান আসেনি।

এ কারণে অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ নেয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে না পাড়ায় অনেক পড়েন বিপাকে।
রোবাবর পর্যন্ত এই টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন ১৫ লাখ ২১ হাজার ৯৪৭ জন। জাপান থেকে আসা টিকায় পর সোমবার থেকে অপেক্ষমানদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু করে সরকার।

জাপানি রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন, ‘যারা এই অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার জন্য অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন, সেই পনেরো লাখ বন্ধুর হাসিমুখ কল্পনা করে আমরা খুব আনন্দিত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বেশি বন্ধুরা যেন টিকা নিতে পারেন। এই করোনার দুর্যোগে আমরা আপনাদের সঙ্গে একতাবদ্ধ হয়ে লড়ছি। আমরা সবসময় বন্ধু হিসাবে বাংলাদেশের পাশে আছি।’

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ চীন থেকে টিকা কেনা শুরু করেছে। কোভ্যাক্সের আওতায় ফাইজার, মডার্নার কোভিড টিকাও দেশে এসেছে।

Loading