পোষাক কারখানা বন্ধ হলে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া কঠিন

প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ , এপ্রিল ১২, ২০২১

সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনে রপ্তানিমুখি তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে এ খাতের চার সংগঠন। রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠন নেতারা বলেন, পোষাক কারখানা বন্ধ থাকলে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া কঠিন হয়ে পড়বে। আর শ্রমিকরা একসাথে গ্রামে ফিরলে সংক্রমণ ছড়ানোর শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তারা। 

বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ ও এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ইএবি’র যৌথ সংবাদ সম্মেলন।

সংগঠনগুলোর নেতারা বলছেন, সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনে পোষক কারখানা বন্ধ করে দিলে একদিনে লাখো শ্রমিক বাড়ির পথে রওনা হবে। যা করোনার ঝুঁকি আরও বাড়াবে। এ অবস্থায় এ শিল্পকে লকডাউনের বাইরে রাখার দাবি তাদের।

বিজিএমইএ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন, পোষাক শ্রমিকদের মধ্যে সংক্রমণ মাত্র .০৩। তার মানে শতকরা ১ ভাগেরও অনেক নীচে। শ্রমঘন তৈরি পোশাক খাতকে পূর্বের সাধারণ ছুটির আদেশের নামে লকডাউন কর্মসূচির বাইরে রাখা যুক্তিযুক্ত হবে বলে আমরা সকলেই মনে করি।

সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছয় বিলিয় ডলারের ক্ষতি হয়েছে। চলতি বছরেও ক্ষতির পরিমাণ কম নয়। লকডাউনে এ ক্ষতি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা শিল্পমালিকদের।

মোহাম্মদ আবদুস সালাম আরও বলেন, যেহেতু পোষাক খাত এবং বস্ত্র খাত আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইনের একটি অংশ। আমাদের ক্রয় আদেশগুলো অনেক আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, সেই অনুযায়ী আমাদের উৎপাদন ও জাহাজীকরণ কার্যক্রম পূর্ব নির্ধারিত থাকে। তাই পোশাক খাতে লকডাউন কার্যকর করা হলে নতুন ক্রয় আদেশ বাতিলসহ অন্যান্য বিপি বিপর্যয়ের ঝুঁকি রয়েছে।

চলমান লক ডাউনের আওতার বাইরে রপ্তানিমুখি পোষাক শিল্প। তবে সর্বাত্মক লকডাউনে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া আর সব কিছুই বন্ধ থাকবে।