মেহেরপুরে গমের বাম্পার ফলন

প্রকাশিত: ১২:৫২ অপরাহ্ণ , এপ্রিল ৪, ২০২১

এ বছর মেহেরপুরে গমের বাম্পার ফলন পাচ্ছেন কৃষকরা। গেল চার-পাঁচ বছর ব্লাস্ট রোগের কারণে ভাল ফলন না পেয়ে আগ্রহ হারাচ্ছিলেন তারা। তবে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ব্লাস্ট প্রতিরোধি বারি-৩৩ জাতের গম চাষে এই সফলতা এসেছে। ভালো ফলনের পাশাপাশি বর্তমান বাজার দরেও খুশি চাষীরা। 

একসময় মেহেরপুর জেলায় গম চাষ হতো ২০-২৫ হাজার হেক্টর জমিতে। কিন্তু ব্লাস্ট রোগের কারণে গেল চার-পাঁচ বছর তা নেমে আসে মাত্র চার-পাঁচ হাজার হেক্টরে। গেলো বছর বারি-৩৩ জাতের ব্লাস্ট প্রতিরোধী গম চাষ করায় কমেছে রোগের প্রাদুর্ভাব। ফলে এবছর গমের আবাদ হয়েছে ১১ হাজার ৩৬৫ হেক্টর জমিতে।

চাষীদের মধ্যে ব্লাস্ট রোগের আতঙ্ক থাকলেও গবেষকদের প্রচেষ্টায় বারি-৩৩ জাতের গম চাষে কেটে গেছে আতঙ্ক। এ বছর বিঘাপ্রতি জমিতে খরচ হয়েছে ৬-৭ হাজার টাকা। আর আবাদ হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ মণ গম। বর্তমান বাজার অনুযায়ী এক বিঘা জমির গম বিক্রি করে লাভ হচ্ছে ২০ থেকে ২৪ হাজার টাকা।

মেহেরপুরের গম চাষীরা বলেন, এবার গমের ফলন ভালো হয়েছে। অন্যান্য গম ভালো হয়নি, বারি-৩৩ গমটা এবছর এবং গতবছরও ভালো হয়েছিল। ব্লাস্ট রোগে অন্যান্য বছরে গম ভালো হয়নি, এবছর ওই রোগটা নেই। ১২শ’ টাকা দরে গম কিনছে, যদি আমরা গমের দাম ১২শ’ টাকা করে পাই তাহলে এবার লাভবান হব।

কৃষি বিভাগের পরামর্শে গম চাষ করায় এবার ভাল ফলন পাচ্ছেন চাষীরা।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ বলেন, বারি গম-৩৩ এবার তারা আবাদ করেছিল। আশা করা যায়, আগামীতে শতভাগ বারি-৩৩ যেটা ব্লাস্ট প্রতিরোধী, সেই জাতগুলো আমরা করবো। সে ব্যাপারে আমাদের মাঠ কর্মীরা সব সময় সচেষ্ট আছে এবং চাষীদেরকে উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছে।

আগামীতে জেলায় গম আরও চাষ বাড়বে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ। ## একুশে টিভি