মাটির নিচে বোমা, আশঙ্কার কিছু নেই বলছে বিমান কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ণ , মার্চ ২৮, ২০২১

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ চলার সময় মাটির নিচে বহু পুরোনো বোমা পাওয়া গেলেও আশঙ্কার কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটির চেয়ারম্যান বলেছেন, বোমা পাওয়ার পর থেকে বিমানবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা পুরো এলাকা সুইপিং করেছে। আর কোন বোমার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি, তাই শঙ্কারও কিছু নেই বলে জানান তিনি। 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে বেশ আগেই। কিন্তু পাইলিংয়ের কাজ করার সময় মাটির নিচে বহু পুরোনো বেশ কয়েকটি বোমা পাওয়া যায়। ফলে কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে নির্মাণ কর্মীদের মাঝে।

বোমা পাওয়ার পর থেকেই থার্ড টার্মিনাল এলাকায় সুইপিং করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। ৫টি বোমা উদ্ধারের পর নতুন করে আর কোন বোমা পাওয়া যায়নি। থার্ড টার্মিনালে প্রথম বোমা পাওয়া যায় ৯ ডিসেম্বর এরপর ১৪, ১৯, ২৮ এবং ৩০ ডিসেম্বর আরও ৪টি বোমা পাওয়া যায়।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান জানান, বোমা পাওয়ার পর থেকেই থার্ড টার্মিনাল এলাকায় সুইপিং বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সুইপিং করে কোন বোমা না পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে এখন আর সেখানে কোনো বোমা নেই।

এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, এখন আমরা সেফটির জন্য যা করছি, প্রতিনিয়ত এক লেয়ার মাটি কাটা হয় তখন বিমান বাহিনীর এক্সপার্ট টিম এসে সুপিং করছেন। এভাবে করে করে আমরা নীচের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি আশা করি, এটা এখন যথেষ্ট নিরাপদ আছে।

বোমা শনাক্তকরণে শক্তিশালী স্ক্যানার ডিভাইস আনার চেষ্টা চলছে। সেটা আনা গেলে মাটির আরও গভীর পর্যন্ত সুইপিং করা যাবে বলেও জানান বেবিচক চেয়ারম্যান।

এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান আরও বলেন, শক্তিশালী স্ক্যানার অথবা স্ক্যানিং ডিভাইস আনার চেষ্টা চলছে। যদি এটা হয় তাহলে মাটির অনেক গভীরে পর্যন্ত দেখতে পাবে, সুইপিং করতে পারবে। এটা এসে গেলে আমাদের কাজ আরও সহজ হবে। আর বেশি পাব বলে আমার মনে হয় না। বর্তমানে নিরাপদ কন্ডিশনেই আছে।

তারপরও সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে সব কাজ করা হচ্ছে বলেও জানান চেয়ারম্যান।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বলেন, এটা এখন যথেষ্ট নিরাপদ। যারা কাজ করছেন তারা যথেষ্ট সতর্কতার সঙ্গে করছেন।