ঢাকা ও মালদ্বীপের মধ্যে ৪টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

প্রকাশিত: ৫:০০ অপরাহ্ণ , মার্চ ১৮, ২০২১

দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরো জোরদার করতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে মৎস্য ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে।

রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম মোহামেদ সলিহ’র উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলো হচ্ছে- সমন্বিত সহযোগিতার লক্ষ্যে যৌথ কমিশন (জেসিসি), দ্বিপাক্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশনের (এফওসি) ওপর সমঝোতা স্মারক, মৎস্য ও সামুদ্রিক মৎস্য আহরনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক এবং ২০২২-২০২৫ পর্যন্ত সাংস্কৃতিক বিনিময়ে জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মালদ্বীপের পক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম মোহামেদ সলিহ্র নেতৃত্বে দু’পক্ষের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি হয়।

পারস্পারিক সহযোগিতার জন্য যৌথ কমিশনের (জেসিসি) বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ্ শহিদ। দ্বিপাক্ষিক ফরেন অফিস কনসাল্টিংয়ের (এফওসি) জন্য সমঝোতা স্বারকে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও মালদ্বীপের পররাষ্ট্র সচিব আব্দুল গফুর মোহাম্মদ।

মৎস্য ও সামুদ্রিক মৎস্য আহরণের ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও মালদ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রী ফাইয়াজ ইসমাইল।
পাশাপাশি, ২০২২-২০২৫ পর্যন্ত সাংস্কৃতিক কর্মসূচি বিনিময়ের (সিইপি) জন্য একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ শহিদ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট গতকাল বুধবার সকালে ঢাকায় আসেন। এ সময় সলিহ্ সহধর্মিনী, মালদ্বীপের ফার্স্ট লেডি ম্যাডাম ফাজনা আহমেদ তার সাথে ছিলেন।- বাসস