প্রভাবশালী গণমাধ্যম এবং প্রতিষ্ঠান তুলে ধরেছে বাংলাদেশের সফলতা

প্রকাশিত: ৩:৪৯ অপরাহ্ণ , মার্চ ৯, ২০২১

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার স্বীকৃতি দিয়েছেন খোদ জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরিস। আন্তর্জাতিক সংস্থা- আইএমএফ, বিশ্ব ব্যাংকসহ ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, ইকোনোমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের মতো বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যম এবং প্রতিষ্ঠান তুলে ধরেছে বাংলাদেশের সফলতার চিত্র। তারপরও বিকৃত তথ্যে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি মহল।

স্বাধীনতা অর্জনের পর পঞ্চাশ বছর, দীর্ঘ লড়াই আর নানা আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই এসেছে সফলতা অর্জনের নতুন বার্তা- উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশ। অগ্রযাত্রার এই পথ পাড়ি দিতে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপি, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিসহ অর্থনীতির নানা সূচকে সুনির্দিষ্ট গণ্ডি পার হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুদক্ষ নেতৃত্ব ছাড়া যা চিন্তা করাই কঠিন।

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে এই সুপারিশ জাতিসংঘের। খোদ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতারেসও বলিষ্ঠ কন্ঠে বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন। প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের।

শুধু তাই নয়, আগামীতে এই অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

অর্থনীতি বিষয়ে বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের শিরোনাম- ‘দক্ষিণ এশিয়ার বড় অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে উঠছে বাংলাদেশ’। বিশ্লেষণধর্মী এই প্রতিবেদনে উঠে আসে- রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে আধুনিক যুগের ইতিহাসে বাংলাদেশের রেকর্ড ও জিডিপি’র ক্ষেত্রেও চমকপ্রদ উন্নতির তথ্য-উপাত্ত।

আর ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বিশ্ব ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফও জিডিপি, রেমিটেন্স বৃদ্ধিসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রায় সব সূচকে বাংলাদেশের ঊর্ধ্বগতির অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে।

বড় বড় সংস্থার স্বীকৃতি আর পত্রিকার প্রতিবেদন সবই কি ভূল? তাই যদি হয়, তাহলে বিশ্বের দু’শতাধিক দেশের উন্নয়নের মানদণ্ড কি এভাবে ভুলভাবেই প্রকাশিত হয়ে আসছে? উত্তর দেয়াটা খুব কঠিন নয়- যেমনটা দিয়েছে এই সংবাদ মাধ্যম।

বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে সরকারি তথ্য সঠিক নয়, আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের তথ্যেরও বাস্তব ভিত্তি নেই- তথ্যের মারপ্যাচেই এমন বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি মহল। বরাবরের মতোই এর মূল কারণ রাজনৈতিক।

উন্নয়ন অগ্রযাত্রায়- কুচক্রি মহলের অপচেষ্টা নতুন নয়, অর্জনকে টেকসই করতে এসব অপতৎপরতা মোকাবেলা করাও এক ধরনের চ্যালেঞ্জ।