পদ্মাসেতু ও এক্সপ্রেসওয়েতে আলাদা টোল আদায়

প্রকাশিত: ৯:৩২ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২১
????????? ? ?????????????? ????? ???

বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে চলতি বছরের জুলাই মাসের দিকে টোল আদায় শুরু হতে পারে। টোল আদায়ের প্রস্তাবনা সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী অনুমোদন পেয়েছে। এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছেন। তবে বর্তমান প্রস্তাবনায় এক্সপ্রেসওয়েতে টোলের এই হার অন্তর্বতী সময়ের জন্য ধার্য করা হয়েছে। ২০২২ সালে পদ্মাসেতু খুললে টোলের হার আবারও ধার্য করা হবে।

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা প্রান্ত থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। এক্সপ্রেসওয়ে ধরে এই দূরত্ব অতিক্রম করতে সাধারণভাবে সময় লাগবে মাত্র ৪২ মিনিট। আর ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে যেতে সময় লাগবে ২৭ মিনিট। এক্সপ্রেসওয়ের পাঁচটি ফ্লাইওভারের মধ্যে একটি ২.৩ কিলোমিটার কদমতলী-বাবুবাজার লিংক রোড ফ্লাইওভার রয়েছে। অন্য চারটি ফ্লাইওভার হলো আবদুল্লাহপুর, শ্রীনগর, পুলিয়াবাজার এবং মালিগ্রামে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খানের নেতৃত্বে এক্সপ্রেসওয়ে যানবাহন চলাচলে টোল নির্ধারণে কমিটি গঠন করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

যানবাহন টোল ভাড়ার প্রস্তাবে একটি ট্রাকের প্রতি কিলোমিটারের ৯ টাকা ৯ পয়সা। এই হিসেবে ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করলে একটি ট্রাককে টোল দিতে হবে ৫৪৪ টাকা। একটি বাসের জন্য টোল দিতে হতে ৪৯০ টাকা ও (সেডান) গাড়ির টোল হতে পারে ১৩৬ টাকা। এক্সপ্রেসওয়েতে ঢোকা ও বের হওয়ার জন্যে চারটি পথ থাকবে। এক্সপ্রেসওয়ের যে গাড়ি যে জায়গা থেকে বের হবে সে অনুযায়ী গাড়ির টোল নেওয়া হবে।

কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন চলাচলে টোল নির্ধারণ করা হচ্ছে। কমিটি যে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল গতকাল সেগুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।