বেড়েছে শীত, দুর্ভোগে মানুষ

প্রকাশিত: ৩:৫০ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ১৮, ২০২১

দিনাজপুর, সৈয়দপুর, নীলফামারী, বগুড়া, নওগাঁ ও সিলেট অঞ্চলসমুহের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে আবারও বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুর্ভোগে নিম্নআয়ের দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ।

উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে অব্যাহত ঘন কুয়াশা আর হিম শীতল বাতাসে ঠাণ্ডার তীব্রতা বেড়েছে। জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের জবুথবু অবস্থা।

গাইবান্ধায় অতিরিক্ত শীতে ব্রহ্মপুত্র নদীর তীর ঘেঁষে বসবাসরত শ্রমজীবী মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় চরম দুর্ভোগে তারা।

মানুষেরা জানান, সকালবেলা কোন কাজকর্ম করা যায় না। দুপুর পর্যন্ত থাকে ঘন কুয়াশা।

সিরাজগঞ্জের চৌহালী, শাহজাদপুর, বেলকুচি, সদর ও কাজীপুরের চরাঞ্চলের মানুষেরাও আছেন আর্থিক সংকটে। অতিরিক্ত শীতে বন্ধ রয়েছে কাজ। গরম পোশাকও কিনতে পারছেন না তারা।

স্থানীয়রা জানান, প্রচণ্ড শীত, কাজকর্ম নেই। এলাকার মানুষ একদম অসহায় হয়ে গেছে।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সন্ধ্যার পর ও সকালে ঘন কুয়াশায় আবৃত থাকে বিভিন্ন এলাকা। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

দিনাজপুরে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে। ১৩ উপজেলার ১০৩টি ইউনিয়ন ও ৯ পৌরসভায় সরকারি সাহায্য হিসেবে ৫১ হাজার ৫২০টি কম্বল বিতরণের কাজ চলছে।

নীলফামারীতে প্রতিদিনই দুপুরের দিকে সূর্যের দেখা মিললেও নেই রোদের উত্তাপ। হিমশীতল বাতাস আর কনকনে শীতে চরম বেকায়দায় শ্রমজীবী মানুষ।

পাবনায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ। খড়কুটো জালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

হিলিতে অব্যাহত থাকা শীতে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ ও ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিকেরা। তারা জানান, শীতের জন্য কাজ করতে পারছি না। সন্তানদের নিয়ে সমস্যায় আছি। কাপড়-চোপড় নেই, ঠাণ্ডায় নানা অসুখ-বিসুখ হচ্ছে আমাদের।

কুড়িগ্রামে ২ হাজার দুঃস্থ, অসহায়, হতদরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।