আনুশকাহর রক্তক্ষরণের কারণ খুঁজতে সংগ্রহ করা হয়েছে আলামত

প্রকাশিত: ২:০৮ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ৮, ২০২১

রাজধানীর কলাবাগানে ইংলিশ মিডিয়াম মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেল (১০ম) শ্রেণির ছাত্রী আনুশকাহ নূর আমিনকে (১৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আলামত সংগ্রহ করছে সিআইডি।

আজ রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, কলাবাগানের এই মর্মান্তিক ঘটনায় দিহানের নামে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এরপর আজ তাকে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছি। রিমান্ড নেয়ার পর প্রকৃত তথ্য পাওয়া যাবে।

একইসঙ্গে ময়নাতদন্ত হচ্ছে। আমরা সুরতাল করার সময় সিআইডির মাধ্যমে তার ভ্যাজাইনার সোয়াপ রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত থেকে ক্যামিকেল পরীক্ষার জন্য আলামত রাখা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই টোটালি সিদ্ধান্তে আসা যাবে আসলে কিভাবে মার্ডারটা হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেহেতু ধর্ষণের পর হত্যার কথা বলা হয়েছে; সে কারণেই তার ভ্যাজাইনার সোয়াপ রাখা হয়েছে। তাছাড়া ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা রাখা হয়েছে।

কলাবাগান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, ওই আনুশহকার বন্ধু দিহানকে একমাত্র আসামি করে তার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আমাদেরও ধারণা, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও তেমন রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। কারণ, ধর্ষণের পর তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কলাবাগানের ডলফিন গলিতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মেয়েটির বন্ধু দিহানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও তিন বন্ধুকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

এর আগে গতকাল রাতে ওই শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমার মেয়ের এ বছর ও লেভেল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল।পরীক্ষার সাজেশন্স দেয়ার কথা বলে ওকে ডেকে নিয়ে যায় ফারদিন ইফতেখার দিহান।

তিনি আরো বলেন, ওরাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে আন্টি ও (ভুক্তভোগী) অসুস্থ। তখন আমি বলেছি ভালো মেয়ে গেল, অসুস্থ কীভাবে হয়েছে। বলেছে আমাদের সাথেই ছিল তবে এখন সেন্সলেস হয়ে পড়েছে। পরে ওরাই আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল এ নিয়ে যায়। আমি হাসপাতালে পৌঁছার আগেই আবার ফোন দিয়ে বলে ও (ভুক্তভোগী) মারা গেছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখি প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।