বই ছাপা ও মুদ্রণ শিল্পের আদি কথা নবীন চৌধুরী নবীন চৌধুরী প্রকাশিত: 12:16 PM , December 15, 2020 বই ছাপা বই কখনই আলাদা আলাদা করে ছোট ছোট পাতার আকারে ছাড়া হয় না। ছাপার টাইপগুলো এমন ভাবে সাজানো হয় যাতে একটা বড় ছাপার কাগজ ভাঁজ করলে তার দুই দিকের ছাপ ঠিক পরপর সাজানো বই বা পত্রিকার মত হবে। এ ধরনের একটা বড় আকারের কাগজকে সাধারণত ১৬,৮,৪ বা ২ পাতার ছাপার কাগজ হিসেবে ব্যবহৃত করা যায়। এর এক একটিকে বলা হয় ফর্মা। ফর্মা ভাজঁ করা হয়ে গেলে শুরু হয় বাধাঁইয়ের কাজ। পাশ থেকে গর্ত করে বই বাধাঁলে তাকে বলে ফোড সেলাই আর উন্নতমানের বইয়ে প্রত্যক ভাজ করা ফর্মার মাঝের পাতা থেকে কয়েকটি ফোঁড় দিয়ে সুতো নিয়ে এসে যে সেলাই করা হয় তাকে বলা হয় জুজ সেলাই। উপমহাদেশে মুদ্রণে আদি কথা ১৬৭০ সালে ৯ জানুয়া্ির তারিখে সুবাট থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে লেখা এক চিঠি থেকে জানা যায় যে, ভীমজী পরেখ নামে এক ব্যক্তি প্রাচীন হিন্দু ধর্ম পুস্তক মুদ্রণের জন্য বোম্বাই এ ছাপার কাজ জানা একজন ভাল লোক পাঠিয়ে দিতে অনুরোধ করেন। তারপর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এদেশে মুদ্রণের সুবিধা হবে মনে করে ভীমজীর অনুরোধ রক্ষা করেন। পর্তুগিজ পাদ্রীরাই সবার আগে বাংলা অক্ষরে তিনটি বই ছেপেছিলেন। কিন্তু সেগুলো এদেশে নয়। পুর্তগালের লিমবন শহরে ছাপা হয়েছিল। এ উপমহাদেশে সর্বপ্রথম বাংলা অক্ষরে ছাপা বই হচ্ছে ১৭৭৮ সালে নাথানিয়েলবাসি হাল হেড কর্তৃক ছাপা বাংলা, অক্ষর শব্দ ও বাক্য সহ বাংলা – ভাষার ব্যাকরণ। শেয়ার অন্যরকমবিষয়: