অস্ত্র ও মাদক মামলায় এসআই জলিলের বিচার শুরু

প্রকাশিত: ৪:২৬ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ৮, ২০২০

অস্ত্র ও মাদক মামলায় উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. আ. জলিল মাতব্বরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে দুই মামলায় আসামির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

আজ রবিবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

এদিন কারাগারে থাকা আ. জলিল মাতব্বরকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামির পক্ষে তার আইনজীবী খলিলুর রহমান অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে সাবিনা ইয়াসমিন (দিপা) অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আ. জলিল মাতব্বরের কাছে জানতে চান তিনি দোষী না নির্দোষ। এ সময় আ. জলিল মাতব্বর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। এছাড়া আসামি জলিল মাতব্বরের জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধীতা করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদনও খারিজ করেন।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দারুস সালাম থানা এলাকা থেকে জলিল মাতব্বরকে আটক করা হয়। তিনি নারায়ণগঞ্জের জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) কর্মরত ছিলেন।

জানা যায়, এসআই আবদুল জলিল মাতব্বর তার বিভিন্ন জিনিসপত্র কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছিলেন। পার্সেলটি দারুস সালামে কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে থাকার সময় তা থেকে মাদকের গন্ধ ছড়াতে থাকে। ভেতরে নিষিদ্ধ সামগ্রী থাকতে পারে বলে সন্দেহ হওয়ায় কুরিয়ার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে জানায়। দারুস সালাম থানা পুলিশ গিয়ে পার্সেল খুলে ৫ হাজার ২৮৯ পিস ইয়াবা, এক কেজি ৩০০ গ্রাম গাজা, ৪০ দশমিক ৭৫ গ্রাম হেরোইন, ৯ ক্যান বিয়ার, ৯৮৮ পিস ইয়াবা সাদৃশ্য সাবলেট এবং ২৭ রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগজিন ও একটি পিস্তল উদ্ধার করে।

ওই দিনই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দারুস সালাম থানায় পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) দুলাল হোসেন মামলা দুটি দায়ের করেন। সংশ্লিষ্ট থানার এসআই (নিরস্ত্র) নজরুল ইসলাম অস্ত্র মামলায় গত ২২ মার্চ এবং মাদক মামলায় গত ৯ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।