রাজশাহীতে সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম

প্রকাশিত: ১১:২০ পূর্বাহ্ণ , আগস্ট ৭, ২০২০

রাজশাহীর মোহনপুরে শাহিন সাগর নামের এক সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মোহনপুর প্রেসক্লাবের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিক শাহিনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে তার ওপর দ্বিতীয় দফা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম।
এর আগে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলা তুলে না নেওয়ায় আবারও তার ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক শাহীন সাগর।
এর আগে বেশ কয়েকদিন থেকেই মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মামলার বাদী শাহীন সাগর মোহনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মোহনপুর থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানা গেছে, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে গেল ১১ মে ধুরইল বাজার হতে বাড়ি ফেরার পথে সাংবাদিক শাহীন সাগরের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে তিনি এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় থানা পুলিশ আসামিদের আটক করে। আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় সাংবাদিক শাহীন সাগরকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গেল তিন আগস্ট সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে শাহীন ধুরইল বাজারে একটি দোকানে ফল কেনার সময় আসামি একতার (২১) এসে তাকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। তা না হলে তাকে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়।
এছাড়াও তার মোটরসাইকেলের চাবি কেড়ে নিয়ে তাকে জোর করে ফাঁকা জায়গায় নেয়ার চেষ্টা করা হয়। সেইসঙ্গে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়।
এ সময় আসামি একতার আরও বলেন, মামলা তুলে না নিলে তোর পরিবারের যেকোনো সদস্যকে খুন করা হবে।
এসময় আসামি একতারের সঙ্গে থাকা মোহনপুর থানায় তিনটি মামলার আসামি ধুরইল তালুকদার পাড়ার এরশাদের ছেলে রনি হোসেন (২৮) বলেন, আগামীকালের মধ্যে মামলা তুলে না নিলে তোর দেহ থেকে মাথা আলাদা করে দেয়া হবে। আমার নামে মারামারি ও ছিনতাই মামলা আছে। তোকে দুনিয়া থেকে তুলে দিলে আরেকটা মামলা বাড়বে।
তারা বলে তুই বেঁচে থাকতে চাইলে আর কোনোদিন ধুরইল বাজারে পা দিবি না। আজ তোকে ছেড়ে দিলাম- মামলা না তুলে নিলে কাল হবে তোর শেষ দিন। পরে তারা চলে যায়।