নেত্রকোনায় ট্রলারডুবি

শর্ত মেনে হাওরে চলবে ট্রলার

প্রকাশিত: ২:০৯ অপরাহ্ণ , আগস্ট ৬, ২০২০

নেত্রকোনার মদন উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে খ্যাত উচিতপুরের হাওরে সব ট্রলারের জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বুলবুল আহমেদ তালুকদার জানান, আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে মদনের উচিতপুর ঘাটে ইজারাদারদের নিয়ে পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসনের বৈঠক হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যাত্রীবাহী নৌযানগুলোতে ২০টি লাইভ জ্যাকেট, পাঁচটি বাতাস ভর্তি টিউব (বয়া) থাকতে হবে। সেসব না থাকলে নৌযান চলাচল করতে পারবে না
এদিকে ঘুরতে এসে ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবির ঘটনায় আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এনিয়ে নৌকাডুবির ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হলো।
ইউএনও বুলবুল আহমেদ তালুকদার জানান, ময়মনসিংহের কোনাপাড়া এলাকার রাকিবুল ইসলাম (৪৪) নামের একজন নিখোঁজ ছিল। গোবিন্দশ্রী রাজালীকান্দায় নৌকাডুবির ঘটনাস্থল থেকে ৫০০ গজ দূরে আজ সকাল ৮টার দিকে একটি মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশে মরদেহটি উদ্ধার করে।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরসিরতা ইউনিয়নের চর ভবানীপুর গ্রামের মাকসুদা সুন্নাহ হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকসহ ৪৮ জন মদনের উচিতপুরের সামনের হাওর ভ্রমণে আসে। তারা সবাই ময়মনসিংহ ও গৌরীপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। নৌকায় করে হাওরে ঘুরতে গেলে হাওরের উত্তাল ঢেউয়ে গোবিন্দশ্রীর রাজালীকান্দা নামক স্থানে নৌকাটি ডুবে যায়। পরে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করে মদন থানা প্রাঙ্গণে রাখা হয় এবং আত্মীয়-স্বজন আসার পর পরিচয় নিশ্চিত হলে স্বজনদের কাছে রাতেই মরদেহগুলো বুঝিয়ে দেয়া হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর পর জেলা প্রশাসক মঈনুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মরদেহ নেয়া ও দাফন-কাফনের জন্য সাত হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে।