মেজরকে থানায় নিয়ে যাওয়া গুলশানের সেই এসি প্রত্যাহার নিউজ৭১অনলাইন নিউজ৭১অনলাইন প্রকাশিত: ৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ , অক্টোবর ৩১, ২০২৪ সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও তাকে ‘লাঞ্ছিত’ করার ঘটনায় জড়ানো রাজধানীর গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. সোহেল রানাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।মঙ্গলবার রাতে তাকে সরিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন কমশিনার মো. মাইনুল হাসান।আগের দিন সোমবার গুলশান এলাকায় সেনাবাহিনীর ওই মেজরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান গুলশান থানার এসি সোহেল ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য। যে ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে।এমনই এক ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বিতণ্ডার একপর্যায়ে মেজর পরিচয় দেওয়া ওই সেনা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরিচয় দেওয়ার পরও ওই সেনা কর্মকর্তাকে এসি সোহেলের নির্দেশে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সময় মেজরের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরা ছিলেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানার পুলিশ সদস্যরা বলেন, পরে সেনা সদস্যরা থানায় গিয়ে ওই মেজরকে ছাড়িয়ে আনেন। পরে এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার কাছে ক্ষমা চান এসি সোহেল রানা।ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে মেজরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় মেজর তার পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন।কিন্তু এসি সোহেলকে বলতে শোনা যায়, “আমি কনস্টেবল না আমি এসি, গুলশান জোনের এসি।ভিডিওতে এসিকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলতে শোনা যায়। পরে মেজরকে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।এ ঘটনার পর অন্য আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় ওই সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ এবং তাকে থানায় নিয়ে আসার কারণে এসি সোহেল হাতজোড় করে ও পা ধরে ক্ষমা চাইছেন।তবে শেষ পর্যন্ত ঘটনার পরদিনই তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিল ডিএমপি।এ বিষয়ে রাতে এসি সোহেলকে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি, ফলে তার বক্তব্যও জানা যায়নি । শেয়ার আইন-আদালতবিষয়: