সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার

প্রকাশিত: ৬:০৬ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার (১ মার্চ)। এদিন থেকে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৩ টাকায়। আর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়। এ ছাড়া বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ৮০০ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক টাস্কফোর্সের সভায় সয়াবিন তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। সেদিনই বলা হয়, ১ মার্চ থেকে সয়াবিন তেলের নতুন এই দর কার্যকর হবে।

সভায় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভোজ্যতেল আমদানির ওপর লিটারে ৫ টাকা শুল্ক কমিয়েছে। অর্থাৎ সরকার লিটারে ৫ টাকা ছাড় দিয়েছে। রমজান সামনে রেখে এখন আপনারাও ৫ টাকা ছাড় দেন।’

সভায় উপস্থিত মিল মালিক ও তেল পরিশোধনকারীরা তা মেনে নেন। সে হিসাবে প্রতি লিটারে সয়াবিন তেলের দাম কমছে ১০ টাকা।

সয়াবিন তেলের দাম কমানো নিয়ে প্রতিমন্ত্রী টিটু বলেন, ‘রমজানে প্রতি লিটার বোতলের সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ১৬৩ টাকা করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। আগে এর মূল্য ছিল ১৭৩ টাকা এবং তার আগের বছরে ছিল ১৮৫ টাকার মতো।’

তিনি বলেন, ‘ভোজ্যতেলের সঙ্গে অনেক কিছু সম্পৃক্ত। সেহেতু এতে ভোক্তা পর্যায়ে কিছুটা স্বস্তি আসবে এবং খুচরায় আমরা যৌক্তিক পর্যায়ে দাম কমিয়ে আনব। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি খোলা সয়াবিনের সর্বোচ্চ মূল্য থাকবে ১৪৯ টাকা। আর ৫ লিটারের বোতল ৮০০ টাকায় বিক্রি হবে।’

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা আমাদের এটুকু নিশ্চিত করেছেন যে আগামী রমজানে যে পরিমাণ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বাজারে থাকা দরকার বা মজুদ থাকা দরকার বা পাইপলাইনে থাকা দরকার, তার সবই মোটামুটি পর্যাপ্ত আছে।’

পাম তেলের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বিষয় জানিয়ে রাখা দরকার, এই প্রথম আন্তর্জাতিক বাজারে পাম তেলের দাম সয়াবিনের থেকে বেশি। সুতরাং এটি যদি আমরা এখন পুনঃনির্ধারণ করতে যাই, তা ভোক্তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে যাবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘১ মার্চ থেকে সয়াবিন তেলের নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর হবে। আমাদের এই ট্যারিফ ১৫ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর আমরা বসে প্রতি মাসে যেমন তেলের দাম আমাদের ট্যারিফ ঠিক করে, প্রতিমাসে আমাদের যারা মিলমালিক আছে তাদের সঙ্গে বসে দাম রেগুলার বেসিসে পুনঃনির্ধারণ করে দেব। কারণ ব্যবসায়ীরা যদি ব্যবসা না করতে পারেন তাহলে পণ্য সরবরাহে সংকট দেখা দেবে।’

প্রসঙ্গত, ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিত্যপ্রয়োজনীয় চারটি পণ্যের শুল্ক কমানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব পণ্য হলো চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুর। এরপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শুল্ক কমানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

Loading