পুলিশের ৪০০ সদস্যকে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২:৫৮ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করেন। পরে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পদক প্রদান করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বিশেষ অবদানের জন্য পুলিশ বাহিনীর ৪০০ কর্মকর্তা ও সদস্যকে পদক ও সম্মানসূচক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ৩৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ৬০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামলূক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ৯৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা এবং ২১০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) সেবা পদকে ভূষিত করা হয়।

পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিন আজ প্যারেডে সালাম গ্রহণের পর নিজ হাতে মনোনীতদের এই পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিবছর পুলিশের সেরা কর্মকর্তা ও সদস্যদের বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদকে (পিপিএম) ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী। সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং সেবামূলক কাজের বিবেচনায় এসব পদক দেওয়া হয়।

২০২২ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১১৫ পুলিশ সদস্য বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হয়। এর আগে ২০২০ ও ২০২১ সালে দেওয়া হয় ২৩০ পুলিশ সদস্যকে।

পদকের যোগ্য কর্মকর্তাদের বাছাই করতে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কমিটি করা হয়। বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা কমিটির কাছে তাঁদের বছরের সেরা কাজটির বিবরণ পাঠান। এর ভিত্তিতে যাচাই শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের কমিটি পদক পাওয়ার মতো কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তৈরি করে অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠায়। প্রধানমন্ত্রী তা চূড়ান্ত করে থাকেন।

এই পদক পুলিশের চাকরিতে খুবই সম্মানজনক হিসেবে বিবেচিত। কর্মকর্তারা এর জন্য আর্থিক সুবিধাও পান এবং নামের শেষে এই পদক উপাধি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

Loading