সাধারণ থেকে অসাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ আলহাজ্ব মকবুল হোসেন

প্রকাশিত: ১১:৩৪ অপরাহ্ণ , মে ২৬, ২০২০

সাধারণ থেকে অসাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ আলহাজ্ব মকবুল হোসেন চলে গেলেন বিক্রমপুর টঙ্গী বাড়ী আরিয়াল খা গ্রামে সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব মকবুল হোসেন, স্কুল জীবন থেকেই মজিব আদর্শ বুকে ধারন করেন।

স্বাধীন চেতনা, প্রতিবাদী সুশিহ্মায় শিহ্মিত মকবুল হোসেন এলএলবি পাশ করার পর, দেশ মাত্রী ডাকে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ কর্মীর উপাধী লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু ডাকে অস্ত্র জমা দিয়ে জীবন যুদ্ধে অবতীর্ণ হন।

৭৫ পট পরিবর্তন অনেক মুল্য দিতে হয় আলহাজ্ব মকবুল হোসেনকে। ১৯৮১ সালের ১৭ মে  শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রর্তাবতন রাজনীতিতে পুর্ণ শক্তি নিয়ে আবির্ভাব। শুরু হলো বাংলার মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। একাধিক মামলা হামলারকে উপেহ্মা করে রাজপথ ছিলেন নেতা কর্মীদের পাশে।

ব্যবসার পাশাপাশি শিল্প, শিহ্মা সংস্কৃতি অঙ্গনে আলহাজ্ব মকবুল হোসেন ছিলেন ব্যাপক পরিচিত মুখ। আওয়ামী লীগ পরিবারের কর্মসস্থান ছিলো আলোচিত বিষয়। ৭৫ হারিয়ে যাওয়া অসহায় নেতা কর্মীদের পুর্ণবাসনে মকবুল হোসেন ও এমএ সাত্তার ভুইয়া ছিলেন অদ্বিতীয়।

মকবুল হোসেন জীবনের শেষদিনেও মোহাম্মদপুর ধানমন্ডি, নাগরপুর, বিক্রমপুর, করোনায় অসহায় পরিবারদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরন করেন। তিনি বলতেন চাল ডাল আলু পিয়াজ মানুষের চাহিদা পুরন হয় না, শিশু খাদ্য ও ঔষধের অভাব অনেক পরিবারের।

৮৬ নির্বাচনে ডাক্তার ফিরোজা বেগম ৯১ নির্বাচনে মাজেদা চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়ীত্ব পালন করেন। উপ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নৌকার পহ্মে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেও সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।

মোহাম্মদপুর ধানমন্ডি নৌকার বৈরী আসনকে সু-সংগঠিত করেনে ৯৪ মেয়র নির্বাচনে বর্তমান এমপি আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খান, এমএ সাত্তার ভুইয়া, নুরুল ইসলাম রতন সহ ৮ জন কমিশনার ও মেয়র হানিফকে বিপুল ভোটে জয় লাভ করাতে সহ্মম হন।

৯৬ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় জয় জয় কার এবং নিজের জয়কে ও নিশ্চিত করেন। আলহাজ্ব মকবুল হোসেন শেখ হাসিনার হুকুম তালিমে কখনো পিছু পা হন নাই। স্বপরিবারের রাজনৈতিক পরিবার বলতে আমার দেখা মকবুল হোসেন পরিবারকেই দেখেছি। মুনা ভাবী মহিলা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে, ছেলে টিটু যুব সংগঠন ও ব্যবসায়ী সংগঠনের দায়ীত্বে।

মকবুল হোসেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন, ভাই, শালা শশুর বাড়ীর আত্নীয় স্বজন একযোগে আওয়ামী লীগ পরিবার, এত বিশাল আকারের আওয়ামী লীগ পরিবার আমার জানামতে আর নাই বললেই চলে।

এখন কার রাজনীতি পেশাদার, ছোট ভাই বিএনপি, মেজো ভাই জাতিয় পার্টি, সেজো ভাই আওয়ামী লীগ, বড় ভাই জামাত, সব সরকারের হ্মমতায় রাশেদ খান মেনন পরিবারের মত। একমাত্র আলহাজ্ব মকবুল হোসেনকে দেখেছি শেখ হাসিনা কি বলে, অপেহ্মা করতে। জীবনে দল বলদ নাই।

করোনার মহা দুর্যোগে, মহা দানোবীর, সবাইকে কাদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মোহাম্মদপুর আজ গার্জিয়ান বিহীন। আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খান এমপি, শেখ বজলুর রহমান মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সকাল ৬ টায় ফোন, রবিউল ঘুমতো আসলো না, সারা রাত ঘুমাতে পারলাম না, আমাদের কি হবে। করোনা সংকটেও জানাজায় শত শত মানুষের সমাগম ছিলো চোখে পড়ার মতন, মানুষের চোখের পানি, কান্নার আওয়াজ ছিলো গগনবিদারী।

আলহাজ্ব মকবুল হোসেনের শিল্প ও শিহ্মা প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী পরিবার ছাড়া চাকরি দেন নাই। মকবুল হোসেনে অভাব আওয়ামী লীগ ও মোহাম্মদপুর ধানমন্ডির নেতা কর্মিরা পুরন করতে পারবেন না। লেখকঃ বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব ও রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগের সভাপতি জনাব রবিউল আলম।