২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৩৩

প্রকাশিত: ৩:১৪ অপরাহ্ণ , জুলাই ১৬, ২০২০

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল দুই হাজার ৪৯৬ জনে। 

এছাড়া একই সময়ে নতুন করে ২ হাজার ৭৩৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সর্বমোট ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩২৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হলেন।

করোনাভাইরাস বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

দেশের মোট ৮০টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৩ হাজার ৫৪৮টি। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৮৮৯টি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৯ লাখ ৯৩ হাজার ২৯১টি।

নাসিমা সুলতানা জানান, নতুন একটি করোনা পরীক্ষা ল্যাব যুক্ত হয়েছে। পপুলার ডায়ানস্টিক সেন্টার লিমিটেড নামে এই বেসরকারি রোগ নির্ণয় প্রতিষ্ঠানটি যুক্ত হওয়ায় দেশে করোনা পরীক্ষায় নিয়োজিত মোট ল্যাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০টিতে।

তিনি আরো জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো ১ হাজার ৯৪০ জন। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯৬৩ জন।

এদিকে বিশ্বজুড়ে আবারও একদিনে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আবারও বেড়েছে প্রাণহানি। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বের ২ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি মানুষের দেহে ভাইরাসটি চিহ্নিত হয়েছে। ফলে, সংক্রমিতের সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রাণ ঝরেছে আরও ৫ হাজার ৭৫৬ জনের। এতে মৃতের সংখ্যা ৫ লাখ ৮৬ হাজার ১৯৩ জনে ঠেকেছে।

তবে, আশার কথা হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ লাখ ৯০ হাজার ভুক্তভোগী সুস্থ হয়েছে। যা এখন পর্যন্ত একদিনে সুস্থতার নিরিখে সর্বোচ্চ। এতে করে মোট বেঁচে ফেরার সংখ্যা ৮০ লাখ ৩১ হাজার ছাড়িয়েছে। বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডমিটারের নিয়মিত পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।