দেশে করোনা থেকে মোট সুস্থ ৩৮ হাজার ১৮৯ জন

প্রকাশিত: ৪:০৮ অপরাহ্ণ , জুন ১৭, ২০২০

করোনাভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশে উদ্বেগ কমছে না। দেশে করোনাভাইরাসে গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮ জন। শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। দেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ হাজার ৪৭৯ জনে। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৩ জন মারা গেছেন। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০৫ জনে। এদিকে আরও ১৯২৫ সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৩৮ হাজার ১৮৯ জন সুস্থ হলেন। সুস্থতার হার ৩৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। মৃতের হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি জানান, গেল ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২৮, নারী ১৫ জন। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে আছেন ২১ জন, চট্টগ্রামে আছেন ১২ জন, রাজশাহীতে ৪ জন, খুলনায় ২ জন, সিলেটে ১ জন, রংপুরে ১ জন, ময়মনসিংহে ২ জন মারা গেছেন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, শূন্য থেকে ১০ বছরের ১ জন, ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী ১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী ১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৯ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছর বয়সী ১২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছর বয়সী ৯ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছর বয়সী ২ জন মারা গেছেন।
গত কয়েকদিনে আক্রান্ত, মৃত ও সুস্থতার হিসেবে দেখা যায়-
১৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ১৮২, মারা যান ৫। সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।
১৪ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২০৯ জন, মারা যান ৭ জন। কেউ সুস্থ হননি।
১৫ এপ্রিল এই সংখ্যা ঠেকে ২১৯ জনে, মারা যান ৪জন। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন।
১৬ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩৪১ জন, মারা যান ১০ জন।
১৭ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২৬৬ জন, মারা যান আরও ১৫ জন।
১৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩০৬ জন, আর ৯ জন মারা যান। সুস্থ হয়েছেন ৮ জন।
১৯ এপ্রিল ৭ জন মারা যান, আক্রান্ত হয় ৩১২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯ জন।
২০ এপ্রিল ১০ জন মারা যান, আক্রান্ত হন ৪৯২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০ জন।
২১ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪৩৪ জন, মারা যান ৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ জন।
২২ এপ্রিল শনাক্ত হয় ৩৯০ জনের দেহে। মারা যান ১০ জন, সুস্থ হন ৫ জন।
২৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪১৪ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ১৬ জন।
২৪ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫০৩ জন, মারা যান ৪ জন, সুস্থ হন ৪ জন।
২৫ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩০৯ জন, মারা যান ৯ জন, সুস্থ হননি কেউই।
২৬ এপ্রিল আক্রান্ত হন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ১০ জন।
২৭ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪৯৭ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ৯ জন।
২৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫৪৯ জন, মৃত্যু হয় ৩ জনের, সুস্থ হন ৮ জন।

২৯ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৬৪১ জন, মারা যান ৮ জন, সুস্থ হন ১১ জন।
৩০ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫৬৪ জন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ১০ জন।
১ মে আক্রান্ত হন ৫৭১ জন, মারা যান ২ জন, সুস্থ হন ১৪ জন।
২ মে আক্রান্ত হন ৫৫২ জন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ৩ জন।
৩ মে আক্রান্ত হন ৬৬৫ জন, মারা যান ২ জন, নতুন গাইডলাইনে সুস্থতা দেখায় ১০৬৩ জন।
৪ মে আক্রান্ত হন ৬৮৮ জন মে, মারা যান ৫ জন, নতুন গাইডলাইনে মোট সুস্থতা দেখায় ১,২০৯ জন।
৫ মে আক্রান্ত হন ৭৮৬ জন, মারা যান ১ জন, নতুন গাইডলাইনে মোট সুস্থতা দেখায় ১ হাজার ৪০৩ জন।
৬ মে আক্রান্ত হন ৭৯০ জন, ৩ জন মারা যান, সুস্থ হন ৩৭৭ জন। নতুন গাইডলাইনে অনুযায়ী মোট সুস্থ ১ হাজার ৭৮০ জন।
৭ মে আক্রান্ত হন ৭০৬ জন, সুস্থ হন ১৩০ জন, নতুন গাইডলাইনে অনুযায়ী মোট সুস্থ ১ হাজার ৯১০ জন।

৮ মে আক্রান্ত হন ৭০৯ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ১৯১ জন, মোট সুস্থ হন ২ হাজার ১০১ জন।
৯ মে আক্রান্ত হন ৬৩৬ জন। মারা যান ৮ জন, সুস্থ হন ৩১৩ জন, মোট সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪১৪ জন।
১০ মে আক্রান্ত হন ৮৮৭ জন, ১৪ জনের প্রাণহানি হয়, সুস্থ হন ২৩৬, মোট সুস্থ ২৬৫০ জন।
১১ মে আক্রান্ত হন ১০৩৪, মারা যান ১১ জন, সুস্থ হন ২৫২ জন। মোট সুস্থ হন ২ হাজার ৯০২ জন।
১২ মে আক্রান্ত হন ৯৬৯, মারা যান ১১ জন, সুস্থ হন ২৪৫ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ১৪৭ জন।
১৩ মে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬২ জন, মারা গেছেন ১৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৪ জন। মোট সুস্থ ৩ হাজার ৩৬১ জন।
১৪ মে আক্রান্ত হন ১০৪১ জন, মারা যান ১৪ জন, মোট মৃতের সংখ্যা ২৮৩ জন, সুস্থ হন ২৪২ জন।
১৫ মে আক্রান্ত হন ১২০২ জন, মারা যান ১৫ জন। সুস্থ হন ২৭৮ জন, মোট সুস্থ ৩৮৮২ জন।
১৬ মে আক্রান্ত হন ৯৩০ জন, মারা যান ১৬ জন। সুস্থ হন ৩৩৫ জন, মোট সুস্থ ৪ হাজার ১১৭ জন।
১৭ মে আক্রান্ত হন ১২৭৩ জন, মারা যান ১৪ জন। সুস্থ হন ২৫৬ জন, মোট সুস্থ ৪৭২৩ জন।
১৮ মে আক্রান্ত হন ১ হাজার ৬০২ জন, মারা যান ২১ জন। সুস্থ হন ২১২ জন, মোট সুস্থ হন ৪ হাজার ৫৮৫ জন।
১৯ মে আক্রান্ত হন ১২৫১ জন, মারা গেছেন ২১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪০৮ জন, মোট সুস্থ ৪৯৯৩ জন।
২০ মে আক্রান্ত হন ১৬১৭ জন, মারা যান ১৬ জন। সুস্থ হন ২১৪ জন, মোট সুস্থ ৫২০৭ জন।
২১ মে আক্রান্ত হন ১৭৭৩ জন, ২২ জনের মৃত্যু হয়। সুস্থ হন ৩৯৫ জন, মোট সুস্থ ৫৬০২ জন।
২২ মে আক্রান্ত ১৬৯৪ জন, মারা যান ২৪ জন। সুস্থ হন ৫৮৮ জন, মোট সুস্থ ৬১৯০ জন।
২৩ মে আক্রান্ত হন ১৮৭৩ জন, যান ২০ জন। সুস্থ হন ২৯৫ জন, মোট সুস্থ ৬৪৮৬ জন।
২৪ মে আক্রান্ত হন ১৫৩২ জন, ২৮ জন মারা যান। সুস্থ হন ৪১৫ জন, মোট সুস্থ ৬৯০১ জন সুস্থ হলেন।
২৫ মে আক্রান্ত হন ১৯৭৫ জন, মারা যান ২১ জন। সুস্থ হন ৪৩৩ জন, মোট সুস্থ ৭ হাজার ৩৩৪ জন।
২৬ মে আক্রান্ত হন ১১৬৩ জন, যান ২১ জন। সুস্থ হন ২৪৫ জন, মোট সুস্থ ৭৫৭৯ জন।
২৭ মে আক্রান্ত হন ১৫৪১ জন, মারা যান ২২ জন। সুস্থ হন ৩৪৬ জন, মোট সুস্থ হন ৭ হাজার ৯২৫ জন।
২৮ মে আক্রান্ত হন ২০২৯ জন, মারা যান ১৫ জন। সুস্থ হন ৫০০ জন, মোট সুস্থ ৮৫২৫জন।
২৯ মে আক্রান্ত হন ২৫২৩ জন। মারা যান ২৩ জন। এখন পর্যন্ত মোট মৃত ৫৮২ জন।
৩০ মে আক্রান্ত হন ১৭৬৪ জন, ২৮ জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছেন ৩৬০ জন, মোট সুস্থ ৯৩৭৫ জন।
৩১ মে আক্রান্ত হন ২ হাজার ৫৪৫ জন, ৪০ জন মারা যান। সুস্থ হন ৪০৬ জন, মোট সুস্থ ৯৭৮১ জন।
১ জুন আক্রান্ত হন ২৩৮১ জন, মারা যান ২২ জন, সুস্থ ৮১৬। মোট সুস্থ ১০৫৯৭ জন।
২ জুন আক্রান্ত হন ২৯১১ জন, ৩৭ জন মারা যান। ৫২৩ সুস্থ হন, মোট সুস্থ ১১ হাজার ১২০ জন।
৩ জুন আক্রান্ত হন ২৬৯৫ জন, ৩৭ জন মারা যান। সুস্থ হন ৫২৩ জন, মোট সুস্থ ১১১২০ জন।
৪ জুন আক্রান্ত হন ২৪২৩ জন, ৩৫ জন মারা যান। সুস্থ হন ৫৭১ জন, মোট সুস্থ ১১ হাজার ১৬১ জন।
৫ জুন আক্রান্ত হন ২৮২৮ জন, ৩০ জন মারা যান। সুস্থ হন ৬৪৩ জন, মোট সুস্থ ১২ ৮০৪ জন।
৬ জুন আক্রান্ত হন ২৬৩৫ জন, ৩৫ জন মারা যান। সুস্থ হন ৫২১ জন, মোট সুস্থ ১৩ হাজার ৩২৫ জন।
৭ জুন ২ হাজার ৭৪৩ জন, ৪২ জন মারা যান। ৫৭৮ জন সুস্থ হন, মোট সুস্থ ১৩ হাজার ৯০৬ জন।
৮ জুন আক্রান্ত হন ২৭৩৫ জন, ৪২ জন মারা যান। সুস্থ হন ৬৫৭ জন, মোট সুস্থ ১৪ হাজার ৫৬০ জন।
৯ জুন আক্রান্ত হন ৩১৭১ জন, ৪৫ জন মারা যান। সুস্থ হন ৭৭৭ জন, মোট সুস্থ ১৫ হাজার ৩৩৬ জন।
১০ জুন আক্রান্ত হন ৩১৯০ জন, ৩৭ জন মারা যান। সুস্থ হন ৫৬৩ জন, মোট সুস্থ ১৫ হাজার ৮৯৯ জন।
১১ জুন আক্রান্ত হন ৩১৮৭ জন, ৩৭ জন মারা যান। সুস্থ হন ৮৪৮ জন, মোট সুস্থ ১৬ হাজার ৭৪৭ জন।
১২ জুন আক্রান্ত হন ৩৪৭১ জন। ৪৬ জন মারা যান, ৫০২ হন সুস্থ হন। মোট সুস্থ ১৭ হাজার ২৪৯ জন।
১৩ জুন আক্রান্ত হন ২৮৫৬ জন, ৪৪ জন মারা যান। ৫৭৮ জন সুস্থ হন, মোট সুস্থ ১৭ হাজার ৮২৭ জন।
১৪ জুন আক্রান্ত হন ৩১৪১ জন, মারা যান ৩২ জন। সুস্থ হন ৯০৩ জন, মোট সুস্থ ১৮ হাজার ৭৩০ জন।
১৫ জুন আক্রান্ত হন ৩ হাজার ৯৯ জন, ৩৮ জন মারা যান। মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৩৪ হাজার ২৭ জন।
১৬ জুন আক্রান্ত হন ৩৮৬২ জন, ৫৩ জন মারা যান। সুস্থ হন ২২৩৭ জন, মোট সুস্থ ৩৬ হাজার ২৬৪ জন।
গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও গত ক’দিনে সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।